Showing posts with label Blog. Show all posts
Showing posts with label Blog. Show all posts

Thursday, July 29, 2021

পবিত্র ঈদুল আজহা হোক দূষণমুক্ত

পবিত্র ঈদুল আজহা হোক দূষণমুক্ত:


সকলকে জানাই আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা।

আনন্দ ও ত্যাগের অনন্য মহিমায় উদ্ভাসিত পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। পবিত্র এই দিনে আমরা কোরবানির মাধ্যমে তাকওয়ার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে থাকি। পাশাপাশি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জন এবং মানুষ হিসেবে শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করে সবার মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগি করি।

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির পাশাপাশি আমাদের কিছু বিষয়ের প্রতি নজর রাখা আবশ্যক। সুস্থ পরিবেশ, সুস্থ দেহ, সুস্থ মন।


কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি:

*পশুর জন্য কেনা খড়কুটো যেখানে-সেখানে ফেলে রাখবেন না। 

* নর্দমায় ময়লা ফেলবেন না।

* কোরবানির পশুকে যেখানে রাখবেন, সেখানে নিয়মিত ব্লিচিং পাউডার দিয়ে জায়গাটিকে রোগজীবাণুমুক্ত রাখুন।

* পশু জবাইয়ের পরে রক্ত ও ময়লা পানি যেন রাস্তায় ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

* বাড়ির আশপাশের নর্দমায় পশুর রক্ত ও বর্জ্য কখনোই ফেলবেন না। এতে অন্য বাড়ির আশপাশে দুর্গন্ধ তৈরি হয়।

* এলাকার নির্ধারিত পশু জবাইয়ের জায়গায় কোরবানি দেওয়ার চেষ্টা করুন।

* জবাইয়ের সময় পানির ব্যবহারের দিকে গুরুত্ব দিন। পানির অপচয় করবেন না।

* বাড়ির আশপাশে গোবর কিংবা অন্য পশুর বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে কি না, তা খেয়াল রাখুন।

* নিজে সচেতনভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করুন। আপনার কারণে দুর্গন্ধে যেন অন্যের সমস্যা তৈরি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

* প্রতিবেশীদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও দুর্গন্ধ না ছড়ানোর দিকে খেয়াল রাখতে সচেতন করুন।

* যে পোশাক পরে পশু জবাই করছেন, তা ভালো করে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করুন।

* পশুর বর্জ্য কুকুর বা বিড়ালের নাগালের বাইরে রাখুন।

* চারপাশ যেন এ সময় দুর্গন্ধ ও জীবাণুমুক্ত থাকে, সেদিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিন।

* পশুর অব্যবহৃত অংশ মাটিতে গর্ত করে পুঁতে ফেলুন অথবা পুড়িয়ে দিন।

* নাড়ি, ভুড়ি পুকুরের পানিতে পরিষ্কার করবেন না।


সকলের ঈদ ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক।

Tuesday, July 27, 2021

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় করণীয় ও টিকা গ্রহণ পদ্ধতি

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় করণীয় ও টিকা গ্রহণ পদ্ধতি:

আপনারা সকলেই জানেন, দ্রুত সংক্রমণশীল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশের অনেক মানুষ পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন আবার অনেকে মৃত্যু সজ্জায়। করোনা নিয়ে আতঙ্ক নয়, আসুন সচেতন হ‌ই। তাহলে এবার আসুন করোনা ভাইরাস সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই।


এই ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়?

১. আক্রান্ত কারো সাথে নিবিড় সংস্পর্শে আসলে।

২. সংক্রমিত স্থান বা বস্তু ছুঁলে বা তার সংস্পর্শে এলে।

৩. আক্রান্ত ব্যক্তির কফ বা হাঁচি-কাশি থেকে।*


করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর লক্ষণ: 

* শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

* জ্বর এবং শুকানো কাশি হ‌ওয়া।

* অরগ্যান ফেইলিওর বা দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া।

* আরো হতে পারে নিউমোনিয়া।

* শরীরের পেশীতে ব্যথা, গলা ব্যথা, স্বাদ ও গন্ধের অনুভূতি না থাকা, শ্বাসকষ্ট, কখনো পেট খারাপ ও বমি বা বমি বমি ভাব ইত্যাদি।

উক্ত লক্ষণগুলো কারো মধ্যে একসাথে দেখা দিলে দ্রুত করোনা পরীক্ষা করান। মনে রাখবেন, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণের মাধ্যমে আপনি খুব শীঘ্রই সুচিকিৎসা নেয়ার সুযোগ পাবেন। এতে করে আপনার মৃত্যু ঝুঁকি কমে যাবে। তাই ভয় না পেয়ে লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া মাত্রই করোনা পরীক্ষা করান।


আক্রান্ত ব্যক্তির করণীয়: 


১. আলাদা ঘরে অবস্থান করতে হবে।

২. নমুনা পরীক্ষা করাতে হবে।

৩. গরম পানির গার্গল ও ভাপ দিতে হবে।

৪. পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

৫. নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৬. শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা খেয়াল রাখুন।

৭. মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে।


ভাইরাসের প্রতিরোধে করণীয়?


২. সাবান এবং জল, বা অ্যালকোহল দিয়ে হাত ঘন ঘন পরিষ্কার করুন।

৩. সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন।

৪. বাইরে গেলেই মাস্ক ব্যবহার করুন।

৫. আপনার চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করবেন না।

৬. আপনি অসুস্থ বোধ করলে বাড়িতেই থাকুন।

৭. শীঘ্রই করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন/ টিকা গ্রহণ করুন।


বর্তমান সরকার করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ফ্রিতে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু করেছেন। আপনারা যারা ভ্যাকসিন নেয়ার যোগ্য তারা www. shurokkha.gov.bd তে গিয়ে নিবন্ধন করুন। ভ্যাকসিন নিন ঝুঁকিমুক্ত থাকুন। আর যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন তারা সবসময় স্বাস্থবিধি মেনে চলুন।

ভ্যাকসিনের আবেদন কিভাবে করবেন?

১.অনলাইনে নিবন্ধন: 

প্রথমে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র ও সঠিক মোবাইল নম্বর যাচাইপূর্বক অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন।

২. SMS নোটিফিকেশন: 

আপনার তথ্য শেষে পর্যায়ক্রমে টিকা প্রদানের তারিখ ও কেন্দ্রের নাম আপনার ফোনে মেসেজ মারফত পেয়ে যাবেন।

৩. টিকা কেন্দ্রে টিকা গ্রহণ:

টিকাকার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র ও সম্মতিপত্রসহ দেখিয়ে নির্দিষ্ট তারিখে টিকা নিতে পারবেন।

যেকোন প্রয়োজনে কল করুন, ৩৩৩ অথবা ১৬২৬৩ নম্বরে।

ঘরে থাকুন, সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

Tuesday, July 20, 2021

করোনা থেকে নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচান

করোনা থেকে নিজে বাঁচুন, অন্যকে বাঁচান


দ্রুত সংক্রমণশীল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশের অনেক মানুষ পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন আবার অনেকে মৃত্যু সজ্জায়। করোনা নিয়ে আতঙ্ক নয়, আসুন সচেতন হ‌ই। তাহলে এবার আসুন করোনা ভাইরাস সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই।


এই ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়?

১. আক্রান্ত কারো সাথে নিবিড় সংস্পর্শে আসলে।

২. সংক্রমিত স্থান বা বস্তু ছুঁলে বা তার সংস্পর্শে এলে।

৩. আক্রান্ত ব্যক্তির কফ বা হাঁচি-কাশি থেকে।


করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর লক্ষণ: 

* শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

* জ্বর এবং শুকানো কাশি হ‌ওয়া।

* অরগ্যান ফেইলিওর বা দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া।

* আরো হতে পারে নিউমোনিয়া।

* শরীরের পেশীতে ব্যথা, গলা ব্যথা, স্বাদ ও গন্ধের অনুভূতি না থাকা, শ্বাসকষ্ট, কখনো পেট খারাপ ও বমি বা বমি বমি ভাব ইত্যাদি।

উক্ত লক্ষণগুলো কারো মধ্যে একসাথে দেখা দিলে দ্রুত করোনা পরীক্ষা করান। মনে রাখবেন, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণের মাধ্যমে আপনি খুব শীঘ্রই সুচিকিৎসা নেয়ার সুযোগ পাবেন। এতে করে আপনার মৃত্যু ঝুঁকি কমে যাবে। তাই ভয় না পেয়ে লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া মাত্রই করোনা পরীক্ষা করান।


আক্রান্ত ব্যক্তির করণীয়: 

১. আলাদা ঘরে অবস্থান করতে হবে।

২. নমুনা পরীক্ষা করাতে হবে।

৩. গরম পানির গার্গল ও ভাপ দিতে হবে।

৪. পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

৫. নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৬. শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা খেয়াল রাখুন।

৭. মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে।


ভাইরাসের প্রতিরোধে করণীয়?

১. সচেতন হোন, অবহেলা দূর করুন।

২. সাবান এবং জল, বা অ্যালকোহল দিয়ে হাত ঘন ঘন পরিষ্কার করুন।

৩. সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন।

৪. বাইরে গেলেই মাস্ক ব্যবহার করুন।

৫. আপনার চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করবেন না।

৬. আপনি অসুস্থ বোধ করলে বাড়িতেই থাকুন।

৭. শীঘ্রই করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন/ টিকা গ্রহণ করুন।

বর্তমান সরকার করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ফ্রিতে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু করেছেন। আপনারা যারা ভ্যাকসিন নেয়ার যোগ্য তারা www. shurokkha.gov.bd তে গিয়ে নিবন্ধন করুন। ভ্যাকসিন নিন ঝুঁকিমুক্ত থাকুন। আর যারা ভ্যাকসিন নিয়েছেন তারা সবসময় স্বাস্থবিধি মেনে চলুন।


ভ্যাকসিনের আবেদন কিভাবে করবেন?

১.অনলাইনে নিবন্ধন: 

প্রথমে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র ও সঠিক মোবাইল নম্বর যাচাইপূর্বক অনলাইনে নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন।

২. SMS নোটিফিকেশন: 

আপনার তথ্য শেষে পর্যায়ক্রমে টিকা প্রদানের তারিখ ও কেন্দ্রের নাম আপনার ফোনে মেসেজ মারফত পেয়ে যাবেন।

৩. টিকা কেন্দ্রে টিকা গ্রহণ:

টিকাকার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র ও সম্মতিপত্রসহ দেখিয়ে নির্দিষ্ট তারিখে টিকা নিতে পারবেন।


এছাড়া যেকোন প্রয়োজনে কল করুন, ৩৩৩ অথবা ১৬২৬৩ নম্বরে।

Tuesday, June 22, 2021

পোষা পাখির গুরুত্ব

পোষা পাখির গুরুত্ব ও সম্ভাবনা:

১৭ কোটি মানুষের বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। ঘনবসতিপূর্ণ দেশে বেকার সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। কৃষি নির্ভর অন্যান্য কর্মসংস্থানের পাশাপাশি খামার গড়ে তুলে বেকার সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। বর্তমানে শৌখিন উচ্চবিত্ত পরিবারের পাশাপাশি মধ্যম আয়ের পরিবারেও পোষা পাখি রাখতে দেখা যায়।



দেশে ৮০৯ প্রজাতির শনাক্তকৃত পাখির মধ্যে ৫১ টি বিপদাপন্ন প্রজাতির পাখি আছে। তাদের টিকিয়ে রাখতে খামার ব্যবস্থাপনা শুরু করে লোকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে তুলতে হবে। বিভিন্ন গ্রুপের পোষা পাখির মধ্যে সিটাসিন গ্রুপের পাখি সমূহ, ফিন্সেস, কবুতর, কোয়েল, ইত্যাদি অধিক জনপ্রিয়। পোষা পাখির খামার করতে প্রথমেই প্রয়োজন উপযুক্ত প্রজাতির পাখি। কতগুলো বিষয় যেমন, পাখির জাত, আয়ুস্কাল, খাবার ব্যবস্থাপনা, আচরণ, প্রভৃতি বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রেখে খামার করা জরুরি। পোষা পাখির বাজার চাহিদা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উপযোগিতা তৈরি করতে পরিকল্পিত পদ্ধতি বিচার বিশ্লেষণ করতে হবে। পাশাপাশি পাখির প্রজনন পদ্ধতি, কিভাবে খামার শুরু করতে হবে, সুবিধা, অসুবিধা, সীমাবদ্ধতা, ও তা থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কিত সমস্তকিছু নিয়ে অভিজ্ঞ কারো থেকে প্রায়োগিক ধারণা নেয়া অত্যাবশ্যকীয়।

দেশের জিডিপিতে অবদান রাখতে, বেকার সমস্যা দূরীকরণে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে, ঘরকোনো মানুষের বিনোদনের উৎস হিসেবে পোষা পাখির খামার নিঃসন্দেহে একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।

Sunday, June 20, 2021

Blog

Thursday, September 10, 2020

দেশে প্রথম প্রাণি হত্যার অপরাধে আদালতে শাস্তি

দেশে প্রথম প্রাণি হত্যার অপরাধে আদালতে শাস্তি


সিদ্দিক নামে এক ব্যক্তি দুই মা ও ১৪ টি কুকুর ছানাকে মেরে মাটিতে পুঁতে রাখে। প্রাণির প্রতি এমন নির্মমতা ঘৃণা ছাড়া কিছুই কিছুই আসে না। আদালত তাকে ছয় মাসের কারাদন্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে আরও সাতদিন জেলে খাটতে হবে তাকে।

মূলত এই ধরনের সমস্যাগুলো গ্রামের কিছু পাতি নেতারাই সমাধান করে ফেলেন। বাদী বিবাদীর মধ্যে যার কাছ থেকে কিছু হাত কড়ি বেশি পায় নামাতে পারে তার দিকেই শুয়ে পড়ে।

এসব নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ড যারা করে তারা পার পেয়ে যায়। 

বাংলাদেশে প্রাণির প্রতি নিষ্ঠুরতা আইন-১৯২০ সালের ৭ ধারাতে এখনও বিচারকার্য চলছে। আমাদের কি এ থেকে বেরিয়ে আসা উচিত নয়?

অবাক হতে হচ্ছে আইন করে রাখা হয়েছে। তার প্রয়োগ হচ্ছে একশ বছর পর। তবুও ধন্যবাদ জানাই আদালতকে তাও তো একটা ব্যবস্থা নিয়েছেন।

তবে এই শাস্তিই কি যথেষ্ট একজনকে সংশোধনের জন্য? যেখানে কেনিয়া আইন করছে অকারণে প্রাণি হত্যায় সরাসরি মৃত্যুদন্ড।

আর আমাদের দেশে ১৬ টি প্রাণির জীবনের মূল্য মাত্র ২০০ টাকা! ছয়মাস কারাদণ্ড হলেও একসপ্তাহ পর‌ই দেখা যাবে বাড়ি এসে দিব্যি হাওয়া খাচ্ছে। 

যেই জন্য শাস্তি তা কি এতে মনে থাকবে?

আমাদের দেশের অ্যাক্ট গুলোকে আরও কঠিন করা দরকার ও যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা দরকার।

আমাদের দেশে প্রাণি জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি চালু নেই। যখন পথে ঘাটে এইসব প্রাণির আধিক্য দেখা যায়, রোগ সংক্রমণের প্রতিরোধে নির্বিচারে হত্যা করে ট্রাক বোঝাই করে তাদের সৎকার সারা হয়। আমাদের নিয়ম‌ই এটা অবাদে বংশবিস্তার করো আর যখন ব্যাঙের মতো বংশ বাড়তেই থাকে তখন চলে গলাকাটা। কেন উপজেলাতে না হোক প্রতি জেলাতে তো অন্তত একটা করে সরকারী উদ্যোগে স্ট্রীট এনিমেল দের ব্যবস্থাপনার কেন্দ্র রাখা যেতে পারে। দেশে কি ভেটেরিনারিয়ানের অভাব? না অভাব না। অভাব তাদের কাজে লাগানোর ব্যবস্থাগুলো। সমস্ত  উপজেলায় ১/২ জন ভেটেরিনারিয়ান কি করবে আর!

দুঃখের সাথেই বলতে হয়, দেশের প্রাণি সেক্টরটা খুবই অবহেলিত। যেখানের দেশের সিংহভাগ প্রাণিজ আমিষের যোগান দিচ্ছে লাইভস্টক সেক্টর।

মাঝে মধ্যে দু একটা নজির সৃষ্টি করে হৈহুল্লোড় করার চেয়ে প্রতিনিয়ত আমাদের বদলানো উচিত। আমাদের হীনতা ঝেড়ে ফেলে একসাথে বাঁচার আনন্দে মেতে উঠা উচিত।

আসুন আমরা প্রাণিদের প্রতি দয়াপরবশ হ‌ই। এই পৃথিবীতে সকলের‌ই বসবাসের সমান অধিকার রয়েছে। শ্রেষ্ঠ জীব হয়ে নিজেদের ছোট না করি।

Thursday, August 27, 2020

Tell me about yourself; appreciate response.

When you face a job interview or any other meeting you must have asked, "Tell me about yourself." There are many ways of responding of this question. But the basic rules are to be included three points, introduction, accomplishment and capabilities. Context may vary in different background candidates but the main points must be included.

Here is the sample:

1. Introductory part:

This is Ferdous Hasan Mithun, a veterinary student with one year of experience and I am looking for new opportunities in the field. My friends probably would say, I am articulate, trustworthy and passionate professional.

2. Accomplishment: (2-3 sentences)

First, I obtained excellent marks on my academic subjects. Additionally, I treated the sick animals for clients in Jamalpur district for one year in 2020. Finally, I received Merck Animal Health Scholarship from America for financial support on an idea solving competition in 2019. 

3. Capabilities/Skills:

I am good at basic computer knowledge specially in MS word, PowerPoint,Excel and Internet. My skills include English communicating skill at good level. I am skilled in organizing programs.



Friday, January 24, 2020

দায়িত্ববান মানুষ একটি জাতির মূল্যবান সম্পদ

দায়িত্ববান মানুষ একটি জাতির মূল্যবান সম্পদ:


স্বাধীনতা ভালো কিন্তু একক ও অবাধ স্বাধীনতা মানুষকে দিতে পারে এক ভিন্ন রূপ । যার ফল হয়ত বয়ে বেড়াতে হয় কোন পরিবার, সমাজ কিংবা পুরো জাতিকে।
দেশের পরিস্থিতি এতটাই অবনতি হয়েছে, যেখানে একটি মানুষ পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়ে যাচ্ছেতাই করে বেড়াচ্ছে।
কিছু মানুষ উন্মাদ হয়ে নেশার ঘোরে করে ফেলছে অপকর্ম। নারী নির্যাতন, ধর্ষণ , শিশু নির্যাতন, নিছকই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তর্ক, তা থেকেই রক্তপাত , অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত হয়ে সুন্দর কতগুলো জীবনের অপমৃত্যু, আবেগের তাড়নায় বিভোর হয়ে নিজের পরিবারের আপনজনদেরও চির শত্রুতে রুপান্তর, বিশ্বস্তের সাথে অবিশ্বস্তা এসবই এখন যেন বিবেকবর্জিত মানুষগুলোর অন্তরে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত।
এর কারণ কি হতে পারে ?
অশিক্ষা, অনিয়ম , আইনের কঠোর প্রয়োগ না থাকা, শিক্ষার আড়ালে বিরাজমান ঘৃন্য মনুষ্যত্ব কিংবা আমাদের নিজেদেরই কিছু সংকীর্ণতার ফল হিসেবে জন্ম নেয় এই অপরাধ গুলো।
আজ কি শুধু আইন প্রনয়নই যথেষ্ট নাকি এর যথাযথ প্রয়োগও জরুরি। এখন কথা হচ্ছে সেই সব আইনের উর্দিধারীরাই যদি আইনের সাথে বেঈমানি করে তাহলে শুধু রাষ্ট্রপ্রধানকে দোষারোপ করে কোন লাভ হবে কি..! প্রথমে এসব মূল হোতাদের স্ব-মূলে উৎপাটন জরুরি। কারণ, অতি অল্প কিছু হীনতার ফল ভোগতে হয় পুরো ডিপার্টমেন্টকে।
একজন শিক্ষক কিভাবে একজন তার মেয়ে তুল্য ছাত্রীর প্রতি জঘন্য অপরাধ করতে পারে..! একজন অসহায় কেন আজ এসবের বলি হচ্ছে...!
আমি মনে করি , সবকিছু যদি আইন দ্বারাই সমাধান করা যেত তাহলে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ শব্দ দুটোর বাংলা অভিধানে আসার কোন প্রয়োজন ছিল না। আমরা কি পারি না সকল লালসাকে পেছনে ঠেলে দিয়ে নিজেকে একজন দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে...? সুখী হওয়ার জন্য সকল আপেক্ষিকতার পরিবর্তে প্রয়োজন সুন্দর মনের।
ভার্সিটির ভেতরে কিংবা বাইরে আমার নিজের সামনেই ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা যা আমাকে অনেক বেশি পীড়া দেয়। যা চিৎকার করে গলা ফাটিয়ে প্রতিবাদের ইচ্ছা করলেও সেই সুযোগ আমার মতো সাধারণের নেই। পরিস্থিতি আমাদের শিক্ষা দিচ্ছে এভাবে, "বাছাধন তোমার দুটি চোখ স্বাধীনতা অর্জন করলেও তোমার জিহ্বা যে আজন্ম পরাধীন।"
দীর্ঘ ৪ বছর বাকৃবির চত্বরে থাকাকালীন সময়ে এটুকু অনুধাবন করতে পেরেছি, নিজের সঙ্গ নিরুপনে সদা জাগ্রত থাকা উচিত। জীবন চলার পথে বুঝেছি, কাজটি সত্যিই অনেক কঠিন। আপনার সাথে যায় এমন কিছু মানুষের সঙ্গ নেয়া উচিত। যাতে আপনার উপকার না হলেও অন্তত ক্ষতির সম্ভাবনা থাকবে না।
পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষ স্বতন্ত্র। একমাত্র পরিবার ছাড়া কাউকেই বিশেষভাবে কিছু মনে করার সুযোগ নেই। কারো বিরক্তির কারণ হওয়া আগেই নিজেকে সংবরণ করা উচিত।
( সাধারণত, কিছু লিখি না, কিন্তু আজ বাধ্য হলাম)

Tuesday, October 15, 2019

আজ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস।
জাতিসংঘ প্রতিবছর ১৫ অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস হিসেবে অনুমোদন দেয়।

বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের মূল লক্ষ্য হল, সব দেশের মানুষকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার আওতায় নিয়ে আসা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

সঠিকভাবে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে পারলে প্রায় ২০টি রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

প্রত্যেক পরিবারে শিশুসন্তানদের ছোটবেলা থেকেই মলমূত্র ত্যাগের পরে ও খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করাতে হবে।

হাত কখন ধোয়া উচিত?

১.খাওয়ার আগে এবং পরে।
২.খাবার তৈরি করার আগে এবং পরে।
৩.পরিবেশন করার আগে।
৪.অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা করার আগে এবং পরে।
৫.টয়লেট ব্যবহার করার পরে।
৬.হাত নোংরা হলে।
৭.দীর্ঘক্ষণ ধরে মোবাইল ফোন, গাড়ি, ইলেকট্রনিক গ্যাজেট ব্যবহার করার পরে।
৮.পোষা জীবজন্তু ধরার পর বা জীবজন্তু খাবার ধরার পর।
৯.আবর্জনা ধরার পর।
১০.হাঁচি দেওয়ার পর।

হাত ধোয়ার প্রয়োজনীয়তা

১.ব্যাকটেরিয়া দূর করতে
২.ডায়রিয়া এবং অন্ত্রের সমস্যার ঝুঁকি কমাতে হাত ধোয়ার প্রয়োজনীয়তা
৩.চোখের ইনফেকশন কমাতে হাত ধোয়ার প্রয়োজনীয়তা
৪.কর্মক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া থেকে দূরে থাকতে হাত ধোয়ার প্রয়োজনীয়তা
৫.মেডিকেল ঝুঁকি কমায়।

হাত ধোয়ার পদ্ধতি: ৮ টি ধাপে হাত ধোয়া উচিত।



সকলেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হোক এটাই প্রত্যাশা আমাদের।

Sunday, October 13, 2019

অসঙ্গতি

১২-১০-২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ

সরিষাবাড়ী হতে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে অগ্নিবীনা এক্সপ্রেস এর "ঝ"বগির ০১ নং আসনটাই আমার ছিল। অনলাইন টিকিট একেবারেই শেষের দিকে থাকায় আসনটি ভাল পাই নি।

সন্ধ্যাগড়িয়ে তখন ৬:২৮ টা। ট্রেনটি কালিবাড়ী অতিক্রম করছে। এহেন সময়ে একটি ঢিল কোথা থেকে জানালা দিয়ে উড়ে এসে যেন আমার Temporal Bone টাতে একটি টং করে আওয়াজ তুলল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মাটির দলাটা ছোট ছোট কণায় পরিণত হয়ে সারা শরীরে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই সিংহভাগ কণা টি-শার্ট এর ভিতর গিয়ে কারসাজি দেখানো শুরু করে দিয়েছে। ওঠে দাঁড়ানো মাত্রই আসনটির উপর ক্ষণিক মাটিবর্ষণ হলো।

দীর্ঘসময় পর সম্বিত ফিরে পাবার মাধ্যমে মনে বেশ কিছু প্রশ্নের উদয় হলো,
* আমরা কোথায় বাস করছি..! আমরা কি কখনও আমাদের কৃতকর্মের কথা ভেবেছি..! আমরা কি আমাদের দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত..! আমরা কি কখনও অবুঝদের বুঝিয়েছি...! অসচেতনদের সচেতন করার ক্ষুদ্র প্রয়াস নিয়েছি কখনও..! ভুল কিছু করতে দেখলে নিষেধ করেছি..! আমাদের অধিনস্তকে শাসন করেছি কখনও...!
আমিও হয়ত সবসময় করি না। কিন্তু করা কি উচিত না আমাদের..!?

আজ আমাকে একজন ঢিল দিয়েছে, ভাগ্যিস বেচে গেছি। ভাবুন তো, এই ঢিলটাই যদি একটা শিশুর গায়ে লাগত অথবা এটি মাটির শক্ত দলা না হয়ে কোন ইট বা লাইনের পাথর হতো..!! তাহলে হয়ত আজ এই মধ্যরাতে কথাগুলো লেখার সুযোগ হতো না।

একটা সত্যি ঘটনা শেয়ার কতে চাই, ২০১৫ সাল। আমার এক বন্ধু (প্রয়াত) একসাথে একই মেস এ ছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে ময়মনসিংহ হতে ট্রেনে "GM" যাচ্ছিল। জানালার পাশেই বসেছিল। পথের মধ্যে কেও পাথর দিয়ে ঢিল দিয়েছিল।দুঃখের বিষয়, ঢিলটা একদম বাম চোখে লাগে। বাকিটা বলার আর ভাষা নাই। শেষ পর্যন্ত, যার কিনা ভর্তি পরীক্ষার হলে বসার কথা ছিল, সে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়ে রইল।

আমি এমনটি নিজ চোখে দেখেছি, এক ১৪/১৫ বছরের ছেলে ট্রেনের জানালাকে উদ্দেশ্য করে ঢিল ছোড়ল। আর তার পাশেই দাঁড়িয়ে আছে অভিভাবক গুছের কেও। আশ্চর্য বিষয়, সে তার সন্তানকে এটা করতে নিষেধ করল না..! এমনকি সাথে সাথেই আরেকটা ঢিল ছুড়ল।
এই হচ্ছে আমাদের মনোবৃত্তি..!!তাকে নিষেধ করা কি তার দায়িত্বের মধ্যে ছিল না..!!

এটি সত্যিই একটি ক্রাইম। এর জন্য শাস্তি হওয়া উচিত শিশুগুলোর পরিবারের সকলের। এদের শিশু বলা আমার মতে অমূলক। এরা সমাজে বিকৃত মনের এক অভিশাপ। পরিবারের দেয়া নৈতিক শিক্ষার অভাবেই, তারা আজ এটুকু করার চিন্তাু মাথায় এনেছে এবং অকপটে করে যাচ্ছে। এভাবেই একদিন তারা বড় অপরাধের দিকে ধাবিত হবে।

অনেক অঞ্চলে প্রাপ্তবয়স্করাও এমনটি করে থাকে। শুনেছি জানালা দিয়ে লাফ দিয়ে মোবাইল, মেয়েদের নাকের দুল, কানের দুল, গলার হার টান দিয়ে ছিড়ে নিয়ে যায় ( জায়গাটা সকলেরই জানা)। আমি খুব বিশ্বস্তজনের কাছেই শুনেছি, এক মহিলার কান ছিড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা, আংটি খুলে নিতে গিয়ে আঙ্গুল ভেঙ্গে দিয়ে যাওয়া, হার নিতে গিয়ে গলায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি করা, মালামাল চুরি ইত্যাদি।

এসব কাজ তারাই করে যারা নেশার টানে চুর হয়ে মানুষ মারতেও দ্বিধাবোধ করে না। নেশার টাকার জোগান দিতে তারা যে কোন প্রকার অপকর্মে লিপ্ত হয়। এরা সমাজে সর্বস্তরে বিচরণ করছে। দুঃখের বিষয় আমাদের চোখের সামনে দিয়ে গেলেও আমরা কিছু বলতে পারি না। তাই, তারা নির্ভয়ে তাদের কাজ সাঙ্গ করতে ব্যস্ত। ফলে, প্রাণ যাচ্ছে অসংখ্য লোকের, হয়রানির স্বীকার আজ প্রায় প্রতিটি মানুষ।

এসবের অবসান কবে হবে...!!! কবে দেশটা সোনার মানুষে ভরে যাবে..? আদৌ, কি এটা হবে...!!!

Thursday, September 26, 2019

দৃষ্টিভঙ্গিকে উন্নত করি।

দেশেকে এগিয়ে নিতে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন চাই।


আজ আমি একটা ছোট্ট ঘটনা শেয়ার করব আপনাদের সাথে।গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ইং তারিখ আমরা আমাদের ভেটেরিনারি ক্লিনিকে ক্লাস করছি। আমাদের এক গ্রুপমেটের জন্মদিন ছিল সেদিন। একজন তার জন্মদিন পালন করা উপলক্ষে একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা উত্তোলন করল। সবাই টাকা দিল। আমিও দিলাম কিন্তু আমি বললাম ক্লাসের সময় কোন কিছু উদযাপন করা অশোভনীয়। বলে আমরা কয়েকজন স্যারের সাথে কিছু রোগ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়েছিলাম।এর জন্য একজন আমাদের," কতগুলো আবাল" বলে সম্ভোধন করে। তারমানে বুঝতেই পারছেন এসময় কেউ কারো ভাল চায় না। একজনকে উৎসাহ দেয়ার পরিবর্তে তাকে টেনে নিচে নামাতে ব্যস্ত আমরা। তাহলে দেশ কিভাবে উপরে উঠবে...! "যে জাতি যত হিংসুটে, সে দেশ তত অপমানিত ও নিষ্পেষিত।" দেশকে উন্নত করতে চাই উন্নত মনোবৃত্তি। সকলে হাতে হাত রেখে একসাথে এগিয়ে যেতে হবে। নিজে পিছে পড়লে আরেকজনকে টেনে না ধরে বরং তাকে ঠেলা দিয়ে, মনোবল দিয়ে,সাহস দিয়ে সামনে এগিয়ে যেহে সাহায্য করি। একসময় সেই ব্যক্তিটিই পিছিয়ে পড়া আপনাকে সামনে নিয়ে যাবে।
অতএব, সকলেই আমরা নৈতিক দিক থেকে অটল থাকব এই সংকল্প করি।

Friday, September 6, 2019

ডেঙ্গু

ডেঙ্গু কি?

ডেঙ্গু জ্বর একটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস  জনিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ।এই রোগকে শনাক্ত এবং ডেঙ্গু জ্বর বলে নামকরণ করা হয় ১৭৭৯ সালে।এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের ৩-১৫ দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। উপসর্গগুলির মাঝে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যথা এবং গাত্রচর্মে ফুসকুড়ি।শরীরে ব্যথার কারণে তখন একে 'হাড়ভাঙ্গা জ্বর'বলেও ডাকা হতো।দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে।এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকার মাত্রা কমে যায় এবং রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।

বাংলাদেশে ডেঙ্গুর বর্তমান অবস্থা :

মার্কিন বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলা হয়েছে, ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা করছে বাংলাদেশ। হাসপাতালগুলোতে রোগীদের উপচেপড়া ভিড়।৬৪ জেলার ৬১টিতে এ রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারি তথ্যকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩৬৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে শুধু ১ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৬৮৩ জন আক্রান্ত। মঙ্গলবার হাসপাতালগুলোয় শিশুসহ ৪ হাজার ৪০০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিল। প্রতিবেদনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৪ জনের মৃত্যুর তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি:

এ পর্যন্ত কয়েকটি হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু শনাক্তকৃত হয়েছে তারমধ্যে ঈশা খাঁ হল অন্যতম। তাই আমাদের সকলের সচেতন থাকা উচিত। দিনের বেলায় মশারি টানিয়ে ঘুমানো উচিত।

এখন আসুন আরো কিছু তথ্য জেনে নেই:

১.এডিস মশা কি শুধু সকালে কামড়ায়?

শুধুমাত্র দিনের আলো থাকাকালীন সময়েই এডিস মশা কামড়ায়।
"সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত এডিস মশা কামড়ায়। তবে কামড়ানোর হার সবচেয়ে বেশি থাকে সূর্যোদয়ের পর দুই-তিন ঘন্টা এবং সূর্যাস্তের আগের কয়েক ঘন্টা।"

২.শুধু কি পায়েই কামড়ায় এডিস মশা?

ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, এডিস মশা যে শুধু পায়ে কামড়ায় - এই দাবি ভিত্তিহীন।
"মশা সাধারণত মানুষের পায়েই কামড়ায়, কারণ সাধারণত শরীরে পা'ই অনাবৃত থাকে। তবে শুধু যে পায়েই মশা কামড়ায়, বিষয়টি এরকম নয়।"

৩.এডিস মশা একবার কামড়ালেই কী ডেঙ্গু হয়?

এডিস মশা কামড়ালে যে মানুষের ডেঙ্গুজ্বর হবেই, বিষয়টি এমন নয়।পরিবেশে উপস্থিত ভাইরাস এডিস মশার মধ্যে সংক্রমিত হলে সেই মশার কামড়ে ডেঙ্গু হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

"এডিস মশার একটা বিষয় হলো, তারা সাধারণত একাধিক ব্যক্তিকে কামড়ায়। তাই ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির শরীর থেকে এডিস মশার মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণ হওয়ার পর ঐ মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয়।"

৪. ডেঙ্গু কি যেকোন এডিস মশার কামড়েই হয়?

না। ডেঙ্গু রোগটি হয় এডিস স্ত্রী জাতীয় মশার কামড়ে।

ডেঙ্গুর সাধারন লক্ষণসমূহ:

পেট ব্যাথা
বমি
যকৃৎ বড় হয়ে যাওয়া
পেশিতে রক্তক্ষরণ
অনুচক্রিকা কমে যাওয়া
শরীর ম্যাজম্যাজ করা

সম্ভাব্য রোগনিরূপণের ভিত্তি হলো জ্বরের সাথে সাথে নীচের যে কোন দু’টি : গা-বমি ভাব এবং বমি, র‍্যাশ, সাধারণীকৃত যন্ত্রণা, শ্বেত রক্তকনিকা কমে যাওয়া।

অন্যান্য লক্ষণ এবং উপসর্গ:

সাধারণত, ডেঙ্গু ভাইরাস সংক্রমিত মানুষের কোনো লক্ষণ থাকে না (80%) অথবা শুধুমাত্র একটি অজটিল লক্ষণ দেখা দেয়।  শিশুদের মধ্যে প্রায়ই সাধারণ ঠান্ডা এবং gastroenteritis (বমি ও পাতলা পায়খানা) লক্ষণ ​​দেখা দেয়।

ক্লিনিক্যাল লক্ষণসমূহ:

ডেঙ্গুর বৈশিষ্ট্যগত উপসর্গ হলো হঠাত্ জ্বরের সূত্রপাত ,মাথা ব্যাথা (সাধারণত চোখের পিছনে), পেশী এবং যুগ্ম যন্ত্রনা, এবং ফুসকুড়ি।ডেঙ্গুর সংক্রমণ অবশ্যই পর্যায়ক্রমে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়: জ্বরভাবাপন্ন, ক্রিটিক্যাল,এবং সুস্থতা।

১.জ্বরভাবাপন্ন পর্বে উচ্চ জ্বর জড়িত থাকে, প্রায়ই ৪০ C (১০৪ F) উপর , এবং সাধারণ ব্যথা এবং মাথা ব্যাথার সাথে যুক্ত থাকে; এটি সাধারণত দুই থেকে সাত দিন স্থায়ী থাকে, বমিও ঘটতে পারে। 50-80% মানুষের ফুসকুড়ির লক্ষণ হয়।

২.ক্রিটিক্যাল পর্বে উপনীতি হয় এবং সাধারণত এক থেকে দুই দিন স্থায়ী হয়। অঙ্গ কর্মহীনতার এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল এলাকা থেকে তীব্র রক্তক্ষরণ ঘটতে পারে। [

৩. সুস্থতার পর্ব সাধারণত দুই থেকে তিন দিন স্থায়ী হয়। প্রায়ই লক্ষণীয় উন্নতি হয়, কিন্তু গুরুতর চুলকানি এবং ধীর গতির হৃৎস্পন্দন হতে পারে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধের করার উপায়:

ডেঙ্গু ভাইরাসের কোন স্বীকৃত টিকা বা ভ্যাকসিন নেই।সুতরাং প্রতিরোধ নির্ভর করে জীবাণুবাহী মশা নিয়ন্ত্রণ এবং তার কামড় থেকে সুরক্ষার উপর।A. aegypti কে নিয়ন্ত্রণ করার প্রাথমিক পদ্ধতি হ’ল এর বৃদ্ধির পরিবেশকে ধ্বংস করে ফেলা।  মানুষজন পুরো শরীর ঢাকা পোষাক পরে।

Thursday, November 29, 2018

BAU Hoodies

Custom made hoodies that are specially designed for BAU students.

Price - 680 TK (direct order).
Order will be confirmed after payment.

 Available size :
M: Chest 19", Length 27".
L: Chest 20", Length 28".
XL: Chest 21", Length 29".

Color: 1. Ash &
            2. Black

Direct order process:
You have to pay full price at a time. After receiving your money your order will be confirmed and you will get your product on that day. (**Stock Limited)

Payment:
You can pay directly via--
Bkash: 01733288087
DBBL:017332880879

N.B: After paying through Bkash or DBBL, please, give the required information bellow:-
1. Your Name
2. Your Hall
3. Product Size & color.
4. Bkash/ DBBL trxID &
5. Your phone no.
and send through our inbox or sms and confirm us through phone call 01733288087.....

OR, you can contact directly: +880163387230

Order submission deadline : 05 Dec 2018

OR, you can contact your nearest representative :
1.BBSMH [ 01789133503]
2. FHH [ 01883998809]
3. HSSH [ 01868630242]
4. SJH [ 01622515521]

So, Hurry up!!!!

GRAB YOUR HOODIE NOW

Saturday, August 4, 2018

Be carefull about our economical resources

Be Carefull About Our Resources:


At now road accidents issue alarming the whole nation in Bangladesh.Four students died and eight are seriously injured because of fault of two bus drivers during overtake one another college at Mirpur at Dhaka. From that day the voice raised against that road accident and now it is on going in vast form than that before. Now it spreaded off throughout the country even hill tracts in Chittagong.College students have brought a remarkable chapter in the nation.Personally I support them and their wants. But it is pathetic for both sided person, students and labour league,who are breaking cars,giving fire on transport car etc.Think about that, all are the sources of civilization,national resources. So, we have to protect them for the well being of our country and people so that we can raise our heads towards the world as a developed and well diciplined a role model country.
So, I solicit to all, take your agitation or commotion for gaining your rights and appropriate needs but maintaining our national wealth. Remember that you should not do something that will harmful for ours or create a harmful effect on our national economy.

Wednesday, July 18, 2018

Be the struggling person

Be the Struggling Person:

There is a proverb, " No pains,no gains." That means nothing would be belongs to you without hard trying.Be strong, take easy about all failures, but never leave trying.Hard working awards you crown that you deserve. When you feel depressed think about your family specially your parents and their desire to you, ask yourself about your family conditions and what are the responsibilities to them,society and country. Be happy with your family and spend times with them that will keep you away from being drug addicted. Select your good compenion who always solve you from wrong. Praying to the creator could be the most powerful weapon against bad thinkings, bad workings.

Your life, your responsibility. Love your life. Stay good. Best wishes for all.
Thank you.

Tuesday, July 10, 2018

Be aware about your privacy.

Be aware your privacy:

Make your passwords stronger:

Nowadays, cyber crime is happening here and there. Many people are suffering much from attacking their personal security that have been used in social medias such as twitter,facebook,snap chat, printerest etc. also in websites, gmail/ yahoo, bank account etc etc. So, be aware about your personality, personal security, for remaining intact your prestige. Regularly,  keep changing your passwards and make your passwords stronger than stronger, never use that in many accounts. After loging in any account and after finishing your work, keep it as log out. Never write anywhere your passwords.
So, Keep changing and stay safe from being blackmail. Best wishes for you all.
Thank you.
Warning

Ferdous Hasan Mithun

How Will You Isolate and Characterise Salmonella spp. from Beef?

Isolation and Molecular Characterization of Salmonella spp. from Beef. Author:  Ferdous Hasan Mithun* Introduction: Innumberable foodborne z...