Monday, July 19, 2021

Art Gallery

 Art Gallery:

In this section all captured photos will be uploaded.

Friday, June 25, 2021

LinkedIn Generated Resume

LinkedIn Generated Resume:

Here is the LinkedIn profile of author.

Click Here to see it.

Tuesday, June 22, 2021

পোষা পাখির গুরুত্ব

পোষা পাখির গুরুত্ব ও সম্ভাবনা:

১৭ কোটি মানুষের বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। ঘনবসতিপূর্ণ দেশে বেকার সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। কৃষি নির্ভর অন্যান্য কর্মসংস্থানের পাশাপাশি খামার গড়ে তুলে বেকার সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। বর্তমানে শৌখিন উচ্চবিত্ত পরিবারের পাশাপাশি মধ্যম আয়ের পরিবারেও পোষা পাখি রাখতে দেখা যায়।



দেশে ৮০৯ প্রজাতির শনাক্তকৃত পাখির মধ্যে ৫১ টি বিপদাপন্ন প্রজাতির পাখি আছে। তাদের টিকিয়ে রাখতে খামার ব্যবস্থাপনা শুরু করে লোকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে তুলতে হবে। বিভিন্ন গ্রুপের পোষা পাখির মধ্যে সিটাসিন গ্রুপের পাখি সমূহ, ফিন্সেস, কবুতর, কোয়েল, ইত্যাদি অধিক জনপ্রিয়। পোষা পাখির খামার করতে প্রথমেই প্রয়োজন উপযুক্ত প্রজাতির পাখি। কতগুলো বিষয় যেমন, পাখির জাত, আয়ুস্কাল, খাবার ব্যবস্থাপনা, আচরণ, প্রভৃতি বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রেখে খামার করা জরুরি। পোষা পাখির বাজার চাহিদা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উপযোগিতা তৈরি করতে পরিকল্পিত পদ্ধতি বিচার বিশ্লেষণ করতে হবে। পাশাপাশি পাখির প্রজনন পদ্ধতি, কিভাবে খামার শুরু করতে হবে, সুবিধা, অসুবিধা, সীমাবদ্ধতা, ও তা থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কিত সমস্তকিছু নিয়ে অভিজ্ঞ কারো থেকে প্রায়োগিক ধারণা নেয়া অত্যাবশ্যকীয়।

দেশের জিডিপিতে অবদান রাখতে, বেকার সমস্যা দূরীকরণে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে, ঘরকোনো মানুষের বিনোদনের উৎস হিসেবে পোষা পাখির খামার নিঃসন্দেহে একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।

Sunday, June 20, 2021

Blog

Skills and Experiences

Achievements

 Hhjdjjva

Academics

Saturday, April 24, 2021

করোনা মহামারীতে বিশ্বে ভেটেরিনারিয়ানদের ভূমিকা

Author

 

করোনা মহামারীতে বিশ্বে ভেটেরিনারিয়ানদের ভূমিকা


করোনা ভাইরাস কি?

এটি এখন আর কারো অজানা নয়। বিশ্ব ব্যাপী আতঙ্কের নাম। করোনাভাইরাস জনিত রোগ (কোভিড -১৯) একটি সংক্রামক রোগ যা নতুন আবিষ্কৃত করোনা ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট। ভাইরাসটি দ্বারা সংক্রামিত বেশিরভাগ মানুষ হালকা থেকে মাঝারি শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতায় ভুগেন এবং বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন ছাড়াই সুস্থ হয়ে উঠেন। তবে, বয়স্ক ব্যক্তিরা এবং কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, ডায়াবেটিস, দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রের রোগ এবং ক্যান্সারের মতো অন্তর্নিহিত চিকিৎসা সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। অনেক ক্ষেত্রে মারাও যান।


Corona virus detection


ভেটেরিনারিয়ান কাদের বলা হয়?

অসুস্থ বা আহত প্রাণীদের চিকিৎসা করার যোগ্য, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ব্যক্তি; একজন ভেটেরিনারি সার্জন। এক কথায়, প্রাণি চিকিৎসক। 

করোনা মহামারী: 

২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর, চীনের উড়ানের প্রদেশের হুবেই শহরে প্রথম করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়। এখন অবধি প্রায় ২০০ টি দেশে কোভিড -১৯ এর সংক্রমণ হয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

করোনা মহামারীতে ভেটেরিনারিয়ানের ভূমিকা:

কোভিড-১৯ মহামারী আজ যেখানে বিভীষিকা সেখানে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলা করা একটি চ্যালেঞ্জ, যা বিশ্বব্যাপী মানবকূল এবং প্রাণিকূলেকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করছে। এই আতঙ্কজনক পরিস্থিতি চলাকালীন, প্রাণি চিকিৎসকরা প্রাণিদের স্বাস্থ্য রক্ষা ও কল্যাণে ছুটে যাচ্ছেন বিভিন্ন জায়গায়। মহামারীটি জন-স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কার্যক্রমে প্রাণি চিকিৎসকের ভূমিকা যে কতখানি তা নিশ্চিতভাবেই টের পাইয়ে দিয়েছে। যা "One Health Program" ও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভেটেরিনারির প্রয়োজনীয়তা জাগিয়ে তোলে। গত বছরের শুরুর মাসগুলিতে বিশ্বব্যাপী লকডাউন সত্ত্বেও অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য এবং অর্পিত উল্লেখযোগ্য দায়িত্বগুলি প্রাণি চিকিৎসকরা নিরপেক্ষভাবে সমাজের প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রেই প্রাণীর প্রতি তাদের আন্তরিক নিবেদনের জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। যাতে প্রতিফলিত হয়েছে বিশ্বের জনগণের প্রতি তাদের পরিসেবা, ত্যাগ ও মহিমার অনন্য দৃষ্টান্ত।


One Health Program


"একটি জাতির মাহাত্ম্য এবং এর নৈতিক অগ্রগতি তার প্রাণিদের সাথে যেভাবে আচরণ করা হয় তার দ্বারা বিচার করা যেতে পারে।"

প্রাণি চিকিৎসকগণ পরীক্ষাগারে গবেষণা করা থেকে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা অবধি চিকিৎসা বিজ্ঞানকে সহায়তা করার প্রয়োজন ভিত্তিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই বর্তমান মহামারীটি সমাধানের জন্য মানুষের চিকিৎসক, পরিবেশবিদ ও প্রাণি চিকিৎসক সকলের দক্ষতা ভাগ করে একত্রে কাজ করার সময় এসেছে। প্রাণি চিকিৎসকরা তাদের বহুবিধ দেশে প্রথম সারির কর্মী হিসাবে নিজেকে বিকশিত করেছেন এবং তারা তাদের বৈজ্ঞানিক জ্ঞান এবং দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সঙ্কটজনক পরিস্থিতি সম্মিলিতভাবে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। মানব স্বাস্থ্য রক্ষা় করতে প্রথমে প্রাণীস্বাস্থ্যের প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। কারণ, জুনোটিক ডিজিজের ( প্রাণি থেকে মানুষে ছড়ায়) প্রায় ৬০ ভাগ‌ই আসে প্রাণিকূল থেকে [ CDC ] প্রাণি চিকিৎসকরা মানুষের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা শনাক্তকরণে ভূমিকা রাখছে। অনেক ভেটেরিনারি ক্লিনিক স্যানিটাইজার, পিপিই কিট এবং ভেন্টিলেটর সরবরাহ করে থাকে। কোভিড-১৯ এর বিস্তার পদ্ধতি নির্ধারণ করার জন্য ভেটেরিনারি এপিডেমিওলজিস্টরা জনস্বাস্থ্যের সাথে একযোগে কাজ করছে ।

কুকুর শনাক্ত করবে কোভিড-১৯; ভেটেরিনারিয়ান:

স্নিফার কুকুরকে রোগীদের কোভিড -১৯ শনাক্ত করতে শেখানো হচ্ছে, যা মানুষ এবং প্রাণী একসাথে কাজ করার এক অভিনব উদাহরণ। জাতীয় এবং আঞ্চলিক অঙ্গনে প্রাণিজ খাদ্য আমদানি-রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ এবং পরিদর্শন এজেন্সিগুলিতেও ভেটেরিনারিয়ানরা এই ক্রান্তিলগ্নে নিরলসের পরিচয় দিয়েছেন। এ ছাড়াও তারা ল্যাবরেটরি পশুর দায়িত্বে রয়েছেন, যেগুলি ওষুধ এবং ভ্যাকসিন তৈরিতে, বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য প্রয়োজনীয়।

ভেটেরিনারি মেডিকেল অফিসারের ভূমিকা:

গণপরিবহন বন্ধ ও সরকারের কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকায় পুরো লকডাউন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার সময়েও ভেটেরিনারি পেশাদাররা ভেটেরিনারি সেন্টারে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। ভেটেরিনারি মেডিক্যাল অফিসাররা স্যানিটাইজার, ফেস মাস্ক, গ্লাভস ইত্যাদির সীমিত প্রাপ্তির মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন স্থানে টিকা দেওয়া, চিকিৎসা দেওয়া, সচেতনতা সৃষ্টি করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ করে চলেছে।মহামারী সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করার জন্য উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া পদ্ধতি, মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা নিয়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করেছে।পরিবহন ব্যবস্থা অচল থাকায় পশুদের খাদ্য ও ঔষধ ঘাটতির কারণে বেশিরভাগ খামারে সঙ্কটজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ভেটেরিনারি চিকিৎসকরা কৃষক ও খামারীদের সংকট সমাধানে সহায়তা করেছেন।

শিক্ষাবিদ এবং গবেষক হিসাবে ভেটেরিনারিয়ান:

বিশ্বব্যাপী মহামারী মোকাবেলার জন্য প্রাণি চিকিৎসকরা যেখানেই থাকুন না কেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরামর্শমূলক মতামত দিয়েছেন। ভেটেরিনারি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ ল্যাবরেটরিতে স্যানিটাইজার তৈরি করতে এবং দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীতে বিতরণে নিজেকে নিযুক্ত রেখেছে। অনেক দেশে বর্তমানে ভেটেরিনারি ভার্চুয়াল ল্যাব চালু হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী খাদ্য সুরক্ষায় ভেটেরিনারিয়ান:

ক্রমবর্ধমান মহামারীটি বিশ্বব্যাপী খাদ্য সুরক্ষাকে হুমকির মুখে ফেলেছে কারণ কোভিড-১৯ মহামারীটি স্থানীয় এবং বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহের বাজারে সর্বনাশা প্রভাব ফেলেছে। লকডাউন, চাকরি হ্রাস, নিরাপত্তাহীনতা, হোটেল, রেস্তোঁরাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক এবং খামারিরা অনিচ্ছাকৃতভাবে তাদের পশু ও প্রাণিজ় পণ্য সম্পর্কিত ব্যবসাগুলো হারাতে বসেছে। এর ফলে অবশ্যম্ভাবীভাবেই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেয়েছে। গ্রাহকদের কাঙ্ক্ষিত চাহিদা মেটাতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি  অপ্রতুল হওয়ায় বিশ্বব্যাপী খাদ্য সুরক্ষা এখনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তবে, প্রাণি চিকিৎসকরা চ্যালেঞ্জটি গ্রহণ করেছেন এবং বৈশ্বিক খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মনোনিবেশ করেছেন।

ওয়ান হেল্থ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে ভেটেরিনারিয়ান:

স্থানীয়, জাতীয় ও বিশ্বব্যাপী কাজ করে মানুষ, প্রাণী ও পরিবেশের জন্য কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্য অর্জনের জন্য একটি সহযোগী ওয়ান হেলথ পন্থা -যা মানুষ, প্রাণী এবং আমাদের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করে। চিকিৎসক, মহামারী বিশেষজ্ঞ বা বাস্তু বিশেষজ্ঞ হিসাবে সমস্ত ক্ষেত্রে প্রাণি চিকিৎসকগণ তাদের জ্ঞান ভাগ করে নিচ্ছেন। অসুস্থ পশুর চিকিৎসা করা এবং তাদের উপশম করা কেবলমাত্র প্রাণি চিকিৎসকের কাজ নয়, প্রাণি চিকিৎসকরা তাদের সুস্থ রাখতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও নিয়ে থাকে, পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করে, তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে, আচরণ এবং প্রশিক্ষণের বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেয়া ছাড়াও অনেক কাজ করে থাকে।

পোষা প্রাণী ব্যবস্থাপনায় ভেটেরিনারিয়ান:

সাইকোনিউরোলজির মাধ্যমে এখন এটি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে স্ট্রেস, উদ্বেগ এবং হতাশা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল করে দিতে পারে যা স্বাস্থ্য খারাপের দিকে পরিচালিত করে। একটি পোষা প্রাণী মানুষের নিঃসঙ্গতা, হতাশাকে কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে। বর্তমান কোভিড-১৯ সময়ে পোষা প্রাণীদের ক্লিনিকাল পরিসেবার উচ্চ চাহিদা রয়েছে। একজন ভেটেরিনারিয়ান এখানে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে থাকেন।

ভেটেরিনারি টেলি-মেডিসিন পরিচালনায়: 

কোভিড-১৯ এর কঠোর লকডাউনেও ভেটেরিনারিয়ানরা থেমে ছিলো না। প্রাণিদের প্রতি ভালোবাসা থেকেই সংকটজনক মুহূর্তে টেলিফোনে সেবাদান চালিয়ে গেছে। বর্তমানে, ফ্রেশ দুধ ও ডিম সরবরাহ চলছে উপজেলায়, জেলায়।

আরো কিছু বিষয়ে ভেটেরিনারিয়ান অবদান রাখতে পারেন বলে আমি মনে করি:

  • জাতীয় এবং আঞ্চলিক ভেটেরিনারি নিয়ন্ত্রক এবং পরিদর্শন পরিষেবাগুলি জনস্বাস্থ্যের অখণ্ডতা পর্যবেক্ষণ করতে পারে
  • জনগণের জন্য খাদ্য সুরক্ষার গ্যারান্টি দিতে কেবল স্বাস্থ্যকর প্রাণী এবং তাদের উপজাতগুলি খাদ্য সরবরাহ করা
  • জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলা করা
  • প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, যেমন একটি উল্লেখযোগ্য জনস্বাস্থ্য বা অর্থনৈতিক প্রভাব সহ রোগের বিরুদ্ধে টিকা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।
  • অগ্রাধিকারভিত্তিতে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা। হোস্ট, এজেন্ট এবং লাইফ সাইকেল সম্পর্কে জানা।
  • আরও বিস্তার এড়াতে এই কার্যকলাপগুলির কাঠামোর মধ্যে যথাযথ আচরণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া প্রতিটি ব্যক্তির দায়িত্ব।
  • রোগ সংক্রমণের ভৌগলিক তথ্যগুলো নিরীক্ষণ ও অধ্যয়ন যাতে রোগগুলির মডেলিং এবং জীবাণুর গঠন পরিবর্তনের পূর্বাভাস পাওয়া যায়।
  • পরিবেশগত সংক্রমণ অথবা জুনোটিক রোগ সংক্রমণকারী এজেন্টদের নিয়ন্ত্রণে হস্তক্ষেপ করে। 
  • সময়ের সাথে সংক্রামক এজেন্টগুলির বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন বিষয়ে তথ্য, উপাত্ত বিশ্লেষণ।
  • পোষা প্রাণী এবং উৎপাদনকারী প্রাণীদের মধ্যে স্যানিটারি নিয়ন্ত্রণ।
  • প্রাণী খাদ্য নিয়মিত পরিদর্শন এবং নিয়ন্ত্রণ।

অত‌এব, করোনা মোকাবেলাসহ অন্যান্য যেকোন মহামারী ঠেকাতে ও নানা প্রতিকূল অবস্থা মোকাবেলায় বিশ্বে ভেটেরিনারিয়ানদের ভূমিকা সত্যিকার অর্থেই উল্লেখ করার মতো।

 বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট:

দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। সেদিন আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয় বাংলাদেশে ৩ জন করোনা রোগী শনাক্তের কথা। এরপর থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে করোনার প্রকোপ। বর্তমানে মৃতের সংখ্যা দশ হাজারের উপরে। গতবছরের শেষার্ধে সংক্রমণহার উল্লেখযোগ্যহারে কমলেও এবছর মার্চ থেকে পুনরায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা মোকাবেলায় সামনের সারিতে কাজ করছেন ডাক্তার নার্সরা, পিছিয়ে নেই বাংলাদেশের ভেটেরিনারিয়ানরাও। সরকার অনুমোদিত করোনা শনাক্তকরণের সরকারি ও বেসরকারি ল্যাবের উপযুক্ততা যাচাই, যন্ত্রপাতির সচলতা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে তৈরি করা ১৮ জনের এক্সপার্ট পুলের হয়ে কাজ করছেন চারজন ভেটেরিনারিয়ান। সরকারি তহবিলে অর্থ দিয়ে, স্বাস্থ্য কর্মী, পুলিশ, নার্সদের ফেসশিল্ড বিতরণ, গবেষণা ল্যাব থেকে আরটি-পিসিআর মেশিন অনুদান হিসেবে প্রদান, স্বাস্থ্য কর্মীদের সাথে একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন সবার প্রয়োজনে।

ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে করোনায় নিজের অভিজ্ঞতা:

আমি সত্যিই অনেক আনন্দিত যে, মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সুস্থ রেখেছেন। আমি ভাগ্যবান এই জন্য যে, করোনার মধ্যে বেশ কিছু ভালো কাজ করার সুযোগ হয়েছে। নিজ উদ্যোগে একটি বাজারে ( রাজার মোড়, সরিষাবাড়ী) দুইশত মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ এবং সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করেছি। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন "হাসিমুখের" হয়ে হতদরিদ্রের আর্থিক সহায়তা ও শিশুদের হাত ধোয়া পদ্ধতি শিখিয়েছি। সেই সাথে গ্রামে প্রায় দুইশত প্রাণির চিকিৎসা বিনামূল্যে করেছি।  ইন্টার্নশিপ চলাকালীন সময়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের হয়ে ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পেরেছি। এই সংকটময় মুহুর্তে এইটুকু করতে পেরে আমি নিজেকে সত্যিই ভাগ্যবান মনে করি।

পরিশেষ, কোভিড-১৯ মহামারীর কাঠামোর মধ্যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ওআইই) এবং ওয়ার্ল্ড ভেটেরিনারি অ্যাসোসিয়েশনও (ডাব্লুভিএ) যৌথভাবে জনস্বাস্থ্যের জন্য ভেটেরিনারি পেশার ভূমিকা এবং দায়িত্বের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা মনে করেন, প্রাণি চিকিৎসকের কার্যক্রম যা খাদ্য সুরক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ও জরুরি ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার মূল চাবিকাঠি। সংক্ষেপে, ভেটেরিনারিয়ান হলো বিশেষ ধরনের বৈজ্ঞানিক মানুষ যারা কেবল বোবা প্রাণীদের জন্যই নয়, সামগ্রিকভাবে সমাজেরও যত্ন নেন। দুঃখের বিষয়, পূর্ববর্তী মহামারী গুলো যেমন, ব্রুসিলোসিস, যক্ষ্মা, অ্যানথ্রাক্স, ক্ষুরা রোগ এবং জলাতঙ্কের মতো রোগের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করা সত্ত্বেও, বেশিরভাগ সরকারী প্রতিষ্ঠান এখনও এই প্রসঙ্গে প্রাণি চিকিৎসকের ভূমিকা সম্পর্কে নিশ্চিত নয়। সর্বোপরি, ভেটেরিনারিয়ানরা আসন্ন "বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস-২০২১" এর মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে, করোনা মোকাবেলায় নিঃস্বার্থভাবে প্রাণিকূল, দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাবে এই প্রত্যাশা আমাদের সকলের।

সেরা আর্টিকেল হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে, THE VET LOG ওয়েবসাইটে।



***

ফেরদৌস হাসান মিঠুন

ভেটেরিনারি সায়েন্স ( ইন্টার্ন )

Wednesday, April 14, 2021

গ্যালিলিও গ্যালিলি_ জহুরুল আলম সিদ্দিকী

 Book Summary_30

গ্যালিলিও গ্যালিলি

___জহুরুল আলম সিদ্দিকী



চরিত্র:

১. গ্যালিলিও গ্যালিলি: মহান বিজ্ঞানী, আধুনিক টেলিস্কোপের আবিষ্কারক।

২. ডিসিয়া: একমাত্র কন্যা ( গ্যালিলিও কে সবসময় প্রেরণা দিত বিজ্ঞানের কল্যাণে কাজ করতে) 

৩. অ্যাবিসেন: গ্যালিলিওর ছাত্র

৪. বিজ্ঞানী ব্রুনো

৫. লসিকাস: ব্রুনোর বাবা

৬. নেরিসা: ব্রুনোর বোন

৭. পোপ ব্যারন 

৮. পোপ ৮ম আরবান


কাহিনী সংক্ষেপ:


ইতালির পিসা শহর।

গ্যালিলিও তার আবিষ্কৃত শক্তিশালী টেলিস্কোপ দিয়ে কোপার্নিকাসের তত্ত্ব, " সূর্য‌ই পৃথিবীর কেন্দ্র" পুনঃ প্রমাণ করেন গ্যালিলিও গ্যালিলি। এই মহান সত্যটি গ্যালিলিও সিলভিয়াতি (ছদ্মনাম) চরিত্রে প্রকাশ করেন, " ডায়ালগ কনসার্নিং দি টু চিফ সিস্টেমস অব দি ওয়ার্ল্ড"। ভ্যাটিকান সিটির চার্চ গ্যালিলিওর প্রকাশিত ব‌ইয়ের বিরুদ্ধে ৩ টি অভিযোগ আনে।

১. ধর্ম ত্যাগী

২. নাস্তিক কোপার্নিকাসের সূর্য কেন্দ্রিক ধারণার পুনঃপ্রবর্তন

৩. চার্জ তথা বাইবেলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

অভিযোগ বলে গ্যালিলিওর বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির আদেশ দেয় পোপ ব্যারন। হয় তত্ত্ব ফিরিয়ে নিতে হবে, না হয় শাস্তি ভোগ করতে হবে। এরিস্টটলের লেখা, " অন দি হেভেন" ব‌ইয়ে পৃথিবী বৃত্তাকার ও স্থির বলা হয়েছিল।

বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে চার্চের বিবাদ পূর্বে থেকেই। সত্য প্রমাণের জন্য লুসিকাসের পুত্র বিজ্ঞানী ব্রুনোকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে ও কন্যা নেরিসাকে চার্চে বন্দি করে রাখে। রজার বেকনের‌ও এক‌ই দশা হয়েছিল। কন্যা নেরিসার মুক্তির জন্য লুসিকাস চার্চের আদেশে গ্যালিলিওকে বুঝাতে বলে। তার বক্তব্য ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করতে পারলে তার কন্যাকে মুক্তি দেয়া হবে।

কন্যা, ডিসিয়া ও ছাত্র, অ্যাবিসেনের মধ্যে ভালোলাগা সৃষ্টি হয়। গ্যালিলিওকে চার্চের বিরুদ্ধে যাওয়ার অতীত ইতিহাস দেখে ভয় দেখানো হয়।

শুধুমাত্র কন্যার বিপদের কথা ভেবে বাধ্য হয়ে গ্যালিলিও তার চিরন্তন সত্য আবিষ্কারের প্রমাণ সম্বলিত ব‌ইটি ভুল / নিজের বক্তব্য ফিরিয়ে নেয়। এর কারণ দুটো-

১. হয় একমাত্র কন্যার প্রতি ভালোবাসা থেকেই গ্যালিলিও সত্য প্রকাশে পিছপা হয়।

২. নতুবা, তিনি বুঝেছিলেন, বিজ্ঞানের কল্যাণে তাকে আর‌ও কিছুদিন বেঁচে থাকতে হবে।

চার্চ যাতে ব‌ইটি ধ্বংস না করে ফেলে এজন্য সেটি অ্যাবিসেনকে লুকিয়ে রাখতে বলে। গ্যালিলিও পরে আরও দুটো ব‌ই লিখে যান, তাতে পূর্বের কথাই সাংকেতিকভাবে লিখে যান। বর্তমানে তার লিখিত ৩ টি ব‌ইয়ের মূল কপিই, ভ্যাটিকান সিটির আর্কাইভ ল্যাবরেটরিতে সংরক্ষিত আছে।


©Mithun


Sunday, March 28, 2021

রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি

Book Summary: 29

রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি ( খন্ড - ১ )

মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

মৌলিক থ্রিলার উপন্যাস।



#চরিত্র:

১. মুসকান জুবেরী: রেস্টুরেন্টের মালিক, রহস্যময়ী নারী।

২. আহমদ ছফা: ডিবি পুলিশের গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

আতর

৩. রাশেদ জুবেরী: জুবেরীর স্বামী

৪. মনোয়ার: এসপি,

৫. আনোয়ার: এস আই. সুন্দরপুর থানা

৬. ফালু : গোর খোদক

৭. হাসিব: নিখোঁজ বালক।

৮ রঁমাকান্তকামারঁ: মাস্টার

৯. কেস খান: ডিটেকটিভ

১০. ডক্টর আসকার ইবনে শাইদ : অরিয়েন্ট হাসপাতাল


#কাহিনী সংক্ষেপ:

সুন্দরপুরের রেস্টুরেন্ট "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি" এর খাবার আইটেম গুলো অসাধারণ। যে একবার খেয়েছে সে এটার ভক্ত হয়ে উঠেছে। কেউই জানে না মুসকান জুবেরী তার রেস্টুরেন্টে কি দিয়ে খাবার তৈরি করেন।  বহু দূর দূরান্ত থেকে খেতে আসেন এই রেস্টুরেন্টে। সুন্দরপুর এর এম পি, এস আই সকলেই মুসকান জুবেরীর অন্ধ ভক্ত। একদিন আহমদ ছফা সুন্দরপুরে আসে মুসকান জুবেরীর তদন্ত করতে। পরিচয় হয় পুলিশের ইনফর্মার আতরের সাথে। তার মাধ্যমে মুসকান জুবেরীর রহস্যময় তার কিছুটা ধারনা পায়। সফা সাংবাদিক পরিচয় তদন্ত শুরু করে। গোর খোদক ফালু মুসকান জুবেরীর সাথে মিলে কিছু একটা কবর দিচ্ছিল, এমনটি দেখে ফেলে সফা, তার বাড়ির ভেতরে গিয়ে। মুসকান জুবেরীর সম্বন্ধে সুন্দরপুর এর কেউই তেমন কিছু জানেনা। তদন্তে জানা যায় পূর্বে মুসকান জুবেরী একজন ডাক্তার ছিলেন । আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে এসে অরিয়েন্ট হাসপাতালে চাকরি শুরু করে। পরিচয় হয় রাশেদ জুবেরীর সাথে। প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত রাশেদ জুবেরী উত্তরাধিকারসূত্রে জমিদারের অনেক ধন-সম্পদের মালিক ছিল। মুসকান জুবেরী রাশেদ জুবেরীকে বিবাহ করার এক মাসের মধ্যেই সে মারা যায়। মুস্কান জুবেরী তখন সুন্দরপুরে এসে তার স্বামীর সম্পত্তি উদ্ধার করে। শুরু করে রেস্টুরেন্ট। সেই রেস্টুরেন্টে তার বন্ধু ডক্টর আজকের সাইয়িদ ঢাকা থেকে দেখা করতে আসে মাঝে মধ্যে। মুসকান জুবেরী বুঝতে পারে তার পেছনে কেউ লেগেছে। তাই সে অভিযোগ করে সুন্দরপুর থানার ওসির কাছে। আসি আহমদ ছফা কে আটক করে। জেরার মাধ্যমে জানতে পারে যে সফা একজন সাংবাদিক নয় । তিনি ডিবি পুলিশের অনেক বড় কর্মকর্তা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কর্মরত 1 ব্যক্তি আত্মীয় হাসিব নিখোঁজের তদন্ত ভার পরে আহমদ ছফার উপর। তারপর আহমদ ছফার অনুরোধে ঢাকা থেকে সুন্দরপুর এর থানা এমপি কে তাকে সাহায্য করার জন্যে বলে। মুসকান জুবেরীর যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। ফালু কবর থেকে কঙ্কাল হলে সেটি বিক্রি করাই তার পেশা। এক দিনেই কবর খোড়া আতর দেখে ফেললে তাকে জ্যান্ত মাটি চাপা দেয়। পরে সবাই সে থাকে বাঁচায়। মুসকান জুবেরী অনুমান করতে পারে যে সফা কোন সাংবাদিক নয় বরং সে কোন পুলিশের কর্মকর্তা। তাই সে ছফাকে কল দিয়ে বলে তার সাথে দেখা করতে। দেখা করার জন্য সে মুসকান জুবেরীর বাড়িতে যায়। গেট এ দু'জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেখানে গিয়ে জুবেরীর কাছে সকল প্রশ্নের উত্তর চায়। এর আগে হাসিব সহ আরো 5 জন নিখোঁজ অবিবাহিত যুবক এই রেষ্টুরেন্টে এসেছিল। মুসকান জুবেরী তাদের কোনো খোঁজ জানেন বলে জানায়। সাফা তাকে অবিশ্বাস করতেই থাকে। মুসকান তখন সব কথা বলে, তিনি আমেরিকার একটি মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা করত। বন্ধুদের সাথে মিলে ল্যাটিন আমেরিকা ঘুরতে গিয়েছিল ইনকা সভ্যতা মাচুপিচু প্রভৃতি দেখার জন্য। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ফেরার পথে তাদের প্রতি ক্রাশ করে আন্দিজ পর্বতমালায়। বরফাচ্ছন্ন পাহাড়ের চূড়ায় অনেকেই জীবিত ছিল। কোন খাবারের সন্ধান না থাকায় জীবিতদের সংখ্যা কমতে থাকে। ওই মৃত ব্যক্তিদের খেয়েই অন্য মানুষজন প্রাণ বাঁচায়। সেদিকে যখন কেউ মারা যাচ্ছিল না তখন একজন আরেক জনকে খুন করে খাবারের ব্যবস্থা করতো। এমন কঠিন মুহূর্তের মধ্যে দিয়ে তারা দিন কাটিয়েছে। দীর্ঘ 80 দিন পর সেখান থেকে মাত্র 18 জন প্রাণ নিয়ে দেশে ফিরে। আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে সেখান থেকে ফেরার পর মুসকান চৌধুরীর বয়স খুব বেশী বাড়েনি। 63 বছরের মহিলাকে 30 বছরের যুবতী মনে হয়। সে মৃত মানুষের এমন একটি অঙ্গ ভক্ষণ করত যাতে করে সে বুড়ো হচ্ছিল না। এদিকে আসকার ইবনে সাঈদ এর কাছে ডিটেকটিভ কেস খান জেরা করে ঘটনার সত্যতা জানতে পারে। মুসকান জুবের আহমদ ছফাকে একটি ফটো অ্যালবাম দেয় ঘটনা সত্য তা দেখার জন্য। অ্যালবামের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় এক ধরনের বিষ মাখানো ছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সফা বিষয়ে আক্রান্ত হয়ে হাত-পায়ের অবশ অজ্ঞান হয়ে পড়ে। 

কেস খান সবাইকে ফোন করে খুঁজে পায়না। আসকার ইবনে সাঈদ জানায় জুবেরী এখনো মানুষ ভক্ষণ করে ।

সফার আসন্ন বিপদ দেখে কেএস খান যুগের বাড়ি ঘেরাও করার নির্দেশ দেন পুলিশকে। ইতিমধ্যে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় জুবেরী। দাও দাও করে জ্বলতে থাকে বাড়িটি। দগ্ধ অবস্থায় বেরিয়ে এসে একটি মেয়ে। মেয়েটিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার জন্য একজন পুলিশকে গাড়িতে করে পাঠিয়ে দেয়। আর এদিকে চাকর-বাকরদের রক্ষা করে। বাড়ির পেছনদিকে আহমদ ছফাকে অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে জানা যায় দগ্ধ মেয়েটি গাড়ি থেকে পালিয়েছে। আসলে সেই ছিল মুসকান জুবেরী। কস্টিউম আর মুখোশ পরিধান করে এমন বীভৎস দগ্ধ রূপ ধারণ করেছিল। রহস্যময়ী অপরাধী মুস্কান কে আটক করা গেল না। তবে তদন্তের অনেকাংশ শেষ করায় সরকার ছফাকে পদোন্নতি দেয়।

Saturday, March 6, 2021

Autogenous vaccine preparation from wart.

 

      Autogenous vaccine preparation


             উপকরন সমুহঃ

             আঁচিল..................... ৫    গ্রাম

             নরমাল স্যালাইন....... ১০ মিঃলিঃ

             ফরমালিন........ ...... ১-২ ফোটা

             পরিশ্রুত পানি...... .. ১০ মিঃলিঃ


অটোজেনাস ভ্যাকসিন যেভাবে তৈরী করবেন....

          

আঁচিল আক্রান্ত গরুর ত্বক থেকে ৫ গ্রাম আঁচিল কেটে নিন। এরপর নরমাল স্যালাইন ১০ মিঃলিঃ এর সাথে মিশিয়ে মর্টারের সাহায্যে গ্রাইন্ডিং করে তা ফিল্ডার পেপার দ্বারা ছেঁকে নিয়ে ১-২ ফোটা ফরমালিন (Formalin) মিশিয়ে নিন।

উক্ত দ্রবনের সাথে যেকোনো Antibiotic এর পরিশ্রুত পানি ১০ মিঃলিঃ মিশিয়ে দ্রুত মাঝারি ও বড় গরুতে ১০-১২ মিঃলিঃ চামড়ার নিচে দিতে হবে। এভাবে ৭ দিন পরপর ৩ ডোজ দিলে আঁচিল রোগ একেবারে ভাল হয়ে যায়।


((অটোজেনাস ভ্যাকসিন প্রিপারেশনের সময় সহযোগী হিসাবে এন্টিহিস্টামিন ও অক্সিট্রেট্রাসাইক্লিন গ্রুপের ইন্জেকশন ব্যবহার করতে পারেন))

Calf Scour in Dairy Calf

Calf scour


     
                           Fig: Calf Scour 

•Calf scour is a clinical sign associated with several diseases characterized by diarrhea
•It occurs in calves from 1-2days to 1-2 weeks of age'
It is a big constrain in commercial dairy farming
• It reduces calf crop production by causing mortality 10- 50%),the morbidity may range upto 75%, ill health & poor growth in calves resulting delayed maturity & hence less productivity

•Causes-

predisposing causes-

----------------------------
•Malnutrition in calves &/ cows
•lack of sanitation of calf shed/house,damp /muddy environment'
•insufficient colostrum feeding within 2-5hours after birth
•Deficiency of  vit A &E
•keeping calving heifers &cows together
•Environmental factors including heavy rainfall,frost etc
•over crowding calves
•Sudden changes of feed or feed habit


Infectious causes-

--------------------------
•Bacteria
1 E-coli
2 Salmonella sp
3 Clostridium perfringens
4 Other bacteria
•Viral
1 Rota virus
2  Bovine Coruna virus
3 BVD virus
•Protozoa
1 coccidia 
2 cryptosporidia
•yeast & mold


Sign & symptoms-


Calf Scour
                              
                           Fig: Calf Scour

---------------------------
*watery diarrhoea that may be brown,grey,green,yellow:
*Diarrhoea prevents absorption of intestinal fluids &,body fluid passes into the intestine
*Mild fever
*Dehydration & loss of electrolytes(Na & K)
* Acidosis
*calves are weak,depressed,lack of desire to suck milk
*sunken eyes,
*Dry skin
*calves become too weak to stand
*If not treated calf can die within 24 hours
*scours last 1-2days or as long as 2 weeks or more

Diagnosis-

------------==
_Sign & symptoms
Rust Colored  or very bloody stool are due to salmonella,coccidia or clostridium  perfringens,
_Fecal samples for isolation &characterization of E,coli,rotaviruses,&salmonella sp
  - fecal samples for detection of coccidia
  - 

prevention

-----------------
°Isolate sick calf or dam from healthy one
° colostrum feeding to new born calves within 2-5 hours  after birth at least 5% of his body weight
° Maintain clean calving area
°Individual housing of calves
°clean housing of calves,sanitation of calf pan
•repeated change of calf ration to be avoided
°Waste milk from mastitic cow,or cow affected with mycoplasma ,salmonella etc to be avoided
°vaccination of calves or cows
°sanitizing  feeding equipments
°To avoid oral faecal contamination

Treatment

-----------------
1 ,Fluid therapy to restore dehydration,
acid-base balance,replaces salts in calf body fluid,
a • oral administration in less severe cases when the calf is still up&about
b • I/V administration of fluid in advance stages when the calf can not standup or eyeball sunken or skin dehydrated
2 correction of acidosis by oral/intravenous administration of preparation containing sod,bicarb 
3 Antibiotics or sulfonamides-orally & parenterally along with treatment for dehydration 
•Antibiotics if ineffective after 2-3 days should be discontinued, otherwise resistant bacteria or yeast & molds may overgrown in calves gut
• sulfonamides - sulphadimidin i/v or metronidazol orally but one thing to be noted that sulphur drugs in dehydrated animal can cause kidney failure,before treatment fluid therapy is indicated
• Drugs which decreases intestinal motility & corticosteroids should be discarded
• Trimethoprim,Antibiotics like  neomycin ,kenamycin,colistin
,trimethoprim,Tetracycline,Ampicillin etc can be used in recommended doses
• In salmonellosis antibiotic may cause excess release of endotoxin so avoid antibiotic & use fluid therapy only
• In case of Nutritional scours resulting from overeating milk with undigested milk passing through intestine giving white coloration of stool,If the affected calf is active no treatment require here,in cases where affected calf is depressed fluid & antibiotic recommended.
                 _______________________

Friday, January 1, 2021

সঙ্গদোষ__ফেরদৌস হাসান মিঠুন

সঙ্গদোষ


আকাশ ফুঁড়ে বেরিয়ে আসা হলুদ আলোয় ঝকঝক করছে বাঁশ ঝাড়টা। চাঁদ উঠেছে। এ যেন পূর্ণিমা রাতের কষ্টি পাথর। যেদিকেই তাকায় উজ্জ্বল সোনালী আলোয় আলোকিত হয়ে উঠছে। হুতোম প্যাচাটা এখান থেকে ওখানে লাফিয়ে বেড়াচ্ছে। মৃদুমন্দ হিমেল বাতাস উত্তর পূর্ব দিক থেকে ধেয়ে আসছে। দুটো বাঁশ কড়াৎ কড়াৎ শব্দ তুলে নড়ে উঠলো। চমকে উঠল ছেলেটি। রাত এগারোটা। ছেলেটি গিয়েছিল হলে সিনেমা দেখতে। শো শেষ হয়েছে রাত ৯ টায়। বয়স বাড়ন্ত, অবিবাহিত, সবে বয়ঃসন্ধিতে পা দিয়েছে। ছবি দেখা একটা নেশার মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০০৪ সাল, বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের অন্ধকার যুগ। উঠতি বয়সের ছেলেদের মাথা খারাপ হ‌ওয়ার জোগাড়। যেই হলের বাইরে বেরিয়েছে অমনি আকাশ ছিদ্র হয়ে বারি বর্ষণ শুরু হয়ে গেলো। ছেলেটি একটা গাছের সাথে সাইকেলটি হেলান দিয়ে রেখে দৌড়ে ঢুকলো একটা দোকানে। আশেপাশে সব দোকান‌ই বন্ধ হয়ে গেছে। শুধু এই চায়ের দোকানটাই খোলা আছে। দোকানদার নিজেও আটকা পড়েছে। পূর্ণিমা রাতের বৃষ্টি। আকাশ নিকষ কালো অন্ধকারে ছেয়ে আছে। চাঁদটা মেঘের আড়ালে পড়ে বিলীন হয়ে গেছে। পূর্ণিমা রাতে অমাবস্যা নেমে আসলো যেন। কি অদ্ভুত দৃশ্য !

টিনের চালার উপর ঝপাঝপ বৃষ্টির মস্ত ফোঁটাগুলো তীক্ষ্মভাবে বিঁধছে। যেন চাল ফুটো করে ছেলেটিকে ভিজিয়ে দেবে। ছেলেটি আচ্ছন্ন, বিমোহিত হয়ে ভাবতে লাগলো হলের সেই নায়ক নায়িকার জড়িয়ে ধরার দৃশ্য গুলো। অনেকবার মাথা ঝাঁকিয়ে চিন্তা দূর করার চেষ্টা করেও কোন লাভ হলো না। জীবনের একটা সময় মানুষের মন বেয়াড়া হয়ে উঠে। শরিফ এই সময়ের মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। বাঁধভাঙা জোয়ারে নিজেকে ভাসিয়ে দিতে মন চাচ্ছে। কল্পনার রাজ্যে অনেক কিছুই করে বেড়ায় ছেলেটি। তখন অস্বস্তি আর ভালো লাগা মিলে শরীরটা পিট পিট করতে থাকে।

এতক্ষণ দোকানদার একটি কথাও বলে নি। হঠাৎ ছেলেটিকে সচকিত করে দিয়ে বলে উঠলো, "নাম কি?"

ছেলেটি আমতা আমতা করে জবাব দিলো, " জ্বী,,, শরিফ।" কিছুক্ষণ নিরবতা। দোকানদার আবার জিজ্ঞেস করল,"ক‌ই থেইকা আইতাছো এত রাইতে? বাড়ি ক‌ই তোমার?"

শরিফ ভাবলো সিনেমা হলের কথা বলা যাবে না, তাহলে কি বলবো? কি বলবো? "হ্যা, গেছিলাম এক আত্মীয় বাড়ি। আমার বাড়ি হিরণগাছী। খালার বাড়ি থেকে আসতে আসতে রাত হয়ে গেলো।" পাশেই হঠাৎ একটা বিকট শব্দে বজ্রপাত হতেই ছেলেটি লাফিয়ে উঠলো। দোকানদার বুঝলো ছেলেটি মিথ্যা বলছে। এত রাতে কোন আত্মীয়‌ই এইটুকুন ছেলেকে ছেড়ে দেবে না। তা হলেও দোকানদার আর কিছু জিজ্ঞাসা করার আগ্রহ দেখালো না।

টানা একঘন্টা বাঁধভাঙা বৃষ্টি শেষে কালো মেঘ কেটে গিয়ে চাঁদটা ঠিকরে বেরিয়ে এসেছে। মনেই হচ্ছে না, এই একটু আগে অমন ঠাটানো বৃষ্টি হয়ে গেছে। শরিফ পুরাতন হিরো সাইকেলটি নিয়ে পেড়েলে সজোরে পা লাগালো। আধঘন্টাতেই পৌঁছে গেলো খুনি বটতলার কাছে। জায়গাটা দিনের বেলাতেও বিভৎস অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকে। চারদিক ঘন বাঁশ ঝাড়, তেঁতুল আর বট গাছে ঘেরা। আড়ার মধ্য দিয়ে সরু একটা রাস্তা সামান্য বাঁক নিয়ে উত্তর দক্ষিণ দিকে বিস্তৃত হয়ে গেছে। রাস্তা ধরে দক্ষিণে শরিফদের বাড়ি। আধঘণ্টার পথ।

শরিফ রাস্তার মাঝে আসতেই বাঁশের অমন কড়াৎ শব্দে আত্মা উবে গেলো। জায়গাটা ভালো না, একথা সে আগেও শুনেছে। স্নায়ু টনটন করে উঠলো, হাত পা নিথর হয়ে পড়ছে, সাইকেলের পেড়েল ঘুরছে না, যেন পড়ে যাচ্ছে। হঠাৎ কোথা থেকে একটা উষ্ণ বাতাসের ঝাপটা লাগলো। আধখোলা বিবর্ণ আলুথালু চোখে সামনে তাকালো। চোখের সামনে কালো এক ছায়ামূর্তি। কি ওটা? কোন গাছের ছায়া নয় তো? হ্যাঁ, গাছের ছায়াই হবে হয়ত। পরক্ষণেই ছায়ামূর্তিটা যেন কাছে ডাকার ভঙ্গিতে নড়ে উঠলো। সর্বনাশ ! শরিফ গলা ফাটিয়ে চিৎকার দিতে যাচ্ছিল, পারলো না। একি, কন্ঠ বসে গেছে! কথা বলছে কিন্তু কোন শব্দ হচ্ছে না। চোয়াল আড়ষ্ট, চোখ বন্ধ হয়ে আসছে। যেন মারা যাচ্ছে। বুকের মধ্যে ড্রাম বাঁচতে শুরু করলো যেন হ্যামারের একেকটা আঘাতে হৃদপিন্ডটা বুকের খাঁচা ভেঙে লাফিয়ে বেরিয়ে আসবে। জায়গাটা সম্পর্কে আগে যা শুনেছে, তবে কি আজ সত্যি ঘটতে চলেছে? তাও আবার তার নিজের সাথেই? আর কিছু ভাবতে পারলো না।

অতি কষ্টে আল্লাহর নাম স্বরণ করতে লাগলো। আয়াতুল কুরসি টা মুখস্থ নেই। "আল্লাহ এই বারের মতো বাঁচিয়ে দাও। আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ...। আল্লাহ, আর জীবনে কখনো এমন ছবি দেখতে যাবো না। মাফ করো খোদা। "

আশ্চর্য ! মনে একটু একটু করে জমাট বাঁধা ভয় কেটে যেতে লাগলো। ধর্মীয় বিশ্বাস, মানসিক শক্তির রূপায়ক। নিউরোনে তরঙ্গের জোয়ারে ভাটা পড়েতে লাগলো। মাটিতে উবু হয়ে পড়ে থাকা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে টেনে সাইকেলটি তুললো। হাত পা তখনো পৌষ মাসের তীব্র শীতের মতো ঠকঠক করে কাঁপছে। বুকের বাঁ পাশটা ব্যথায় টনটন করছে। বাড়ি যখন ফিরলো রাত বারোটা। মা ঘুমিয়ে পড়েছে, দরজায় খিল পড়েনি।

ভয়ে এড্রেনালিন এতটাই ক্ষরণ হয়ে গেছে বুঝতেই পারে নি যে ছোট ঘর চেপেছে। বাইরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছে না। মাকে ডাকা যাবে না। বকার তুবড়ি ছুটবে। কোন রকম বাইরে গিয়ে উঠোনের মাটির তৃষ্ণা মিটিয়ে ছুটে ঘরে চলে এসে কাঁথা মুড়ে শুয়ে পড়লো। সে রাত কিছু হলো না। ক্লান্ত, অবসন্ন ভাবটার জন্য‌ই হয়তো মরার মতো ঘুমালো পরেরদিন দুপুর নাগাদ।

ঘটনাটা মাকে বলে নি। সময় চলছে সময়ের মতো। দিনের পর দিন শরিফ শুকিয়ে যাচ্ছে। ইদানিং রাতে ভয়ঙ্কর কিছু স্বপ্ন দেখছে। প্রতিটি স্বপ্নের ধারা এক‌ই। প্রথমে যাই দেখুক না কেন, শেষ হয় ঐ একটি ছায়ামূর্তি দিয়ে, সেই হাতছানি দিয়ে ডাকা, সেই দুল খাওয়া। অস্বস্তি,ভয় আর ক্লান্তি নিয়ে ঘুম ভাঙ্গে প্রতিটা রাত।

ঘটনার দশদিন পর, শরিফ রোগা, বিবর্ণ আর লাবণ্য হারিয়ে ফেলতে লাগলো। মা খুব চিন্তিত ভঙ্গিতে জিজ্ঞেস করে, " বাবা, কি হয়েছে তোর? এমন হয়ে যাচ্ছিস কেন?" শরিফ কিছু বলে না। সিনেমার কথা বললে যে আর রক্ষে নেই। ডাক্তার, কবিরাজেও কাজ হচ্ছে না। এলাকার বিখ্যাত শানু কবিরাজের কাছ থেকে ঘটা করে পানি পড়িয়ে এনে খাওয়ালো। অবস্থা যেই সেই। মা ভেঙে পড়ছেন।

বুধবার মধ্যরাত, শরিফ চিৎ হয়ে শুয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। হঠাৎ কি যেন বুকের উপর এসে চেপে বসলো। যেন পুরো পৃথিবীটা কেউ বুকের খাঁচার উপর তুলে দিয়েছে। শ্বাসরুদ্ধ হয়ে আসছে। শরিফ প্রাণপণ চেষ্টা করছে উঠে বসার জন্য, পারছে না। চিৎকার করে মাকে ডাকছে, মা পাশেই কাজ করছে। কিন্তু শুনতে পারছে না। অনেক ধ্বস্তাধ্বস্তির পর হঠাৎ যেন বুকটা হালকা হয়ে গেলো। শরিফ লাফ দিয়ে উঠে বসলো, দেখলো শরীর ঘেমে বিছানা ভিজে গেছে। বুকের ভেতর একদলা মাংসপিণ্ড নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিরামহীনভাবে লাফিয়ে চলেছে। জীবনটা অসহ্য হয়ে উঠেছে। অতটুকুন ছেলে জীবনে তো অনেক কিছু করার বাকি,অনেক অভিজ্ঞতা বাকি। শরিফ আবার ধড়াস করে শুয়ে পড়লো। ঘরের কড়িকাঠের দিকে চোখ পড়লো। আত্মাটা আবার ছাৎ করে উঠলো। যেন দুটো সবুজ চোখ এখন‌ই জ্বলে উঠে নিভে গেলো। চিৎকার দিতে যাবে, তখনই চোখ দুটো অদৃশ্য হয়ে গেল। কাঁথাটা নাকে মুখে টেনে ঘাপটি মেরে চোখ বুজে র‌ইলো। আর কোন দিকে তাকাতে চায় না।

পরের দিনটি স্বাভাবিক ভাবেই কাটলো। শরিফকে শান্ত, ভাবলেশহীন দেখালেও দুপুর ও রাতে খেয়েছে। রাত যত গভীর হয়, ভয় তত জেঁকে বসে। আর রাতে ঘুমাতে চায় না, রুমের লাইট জ্বালিয়ে‌ই রাখবে এখন থেকে। রাত ১ টা পার হয়ে গেছে, শরিফ আর পারছে না। সম্মোহিতের মতো চোখ বসে যাচ্ছে। গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল মুহুর্তেই।

বুক ফাটা তীক্ষ্ম আর্থ চিৎকারে মায়ের ঘুম ভেঙ্গে গেল। হুড়মুড় করে উঠে পাগলের মতো ছুটে গেলো ছেলের রুমের দিকে। জানালাটা খোলা। সেদিক দিয়ে তাকাতেই যা দেখলো, বুকের রক্ত হিম হয়ে গেল। শিরদাঁড়া বেয়ে বরফ শীতল স্রোত তির তির করে নিচে বয়ে যাচ্ছে। ভয়ে, আতঙ্কে চোখ বুজে বসে পড়লো। 

শরিফ হা করে নিঃশ্বাস নেয়ার চেষ্টা করছে, হাত পা ছুটোছুটি করছে কিন্তু আশ্চর্য ! বুকের অংশটুকু পাথরের মতো স্থির। বিছানাটা উন্মত্তের মতো যেন অন্য কেউ ঝাকাচ্ছে। নাভিশ্বাস উঠে গেছে যেন। এমন দৃশ্য জগতের কোন মা ই সহ্য করতে পারবে না। দৌড়ে দরজা খুলে ঘরে ঢুকে ছেলেকে ধাক্কা দিয়ে পাশ ফিরিয়ে দিল। বিছানাটা তখন‌ও কাঁপছে। কিছুক্ষণ পর থেমে শান্ত হয়ে এলো।

পরেরদিন রাতের ঘটনার কথা বলতেই মা আতঙ্কের সুরে বললো, " হায় হায়! বলিস কি! তরে তাইলে বোবায় ধরছিলো। বোবা বুকের উপর এসে বসে নিঃশ্বাস আটকাইয়া মানুষ মাইরা ফালায়। তুই আইজ থেইকা আমার এইখানে থাকবি।" 

ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতেই চিন্তার ওষধ দিল। অবস্থা কিছুটা ভালো হলো মনে হয়। ভবঘুরের মতো ঝিম মেরে বসে থাকে না। 

মানুষ যখন প্রাণ সংশয়ে থাকে অনেক সাহসী বীর‌ও ভয়ে কাচুমাচু হয়ে যায়। আর শরিফ তো একটা বাচ্চা ছেলে। মৃত্যুভয় মানুষের স্বাধীন চিন্তার উপর প্রভাব বিস্তার করতে থাকে। একসময় এই ভয়টাই জয়ী হয়। তখন মানুষ আর অন্য কিছু চিন্তা করতে পারে না। সারাক্ষণ তলিয়ে থাকে অন্য একটা জগতে। আসলে সে জগৎটার কি কোন অস্তিত্ব আছে?

মা শরিফকে বড় ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছে। ফিজিওলজির পাশাপাশি সাইকোলজিতেও ভালো জ্ঞান আছে তার। ডা. বিধানচন্দ্র বললেন, "আসলে ওর সাথে যা হচ্ছে এসব‌ই তার মনের দূর্বল চিন্তা থেকেই হচ্ছে। হয়ত চোখের সামনে এমন অস্বাভাবিক কিছু দেখেছে যার জন্য রীতিমতো ভয় পেয়ে আছে। চিন্তার কিছু নেই। কয়েকদিনের জন্য ক্লোনাজেপাম দিচ্ছি। ঠিক হয়ে যাবে।"

কিন্তু, ডা. বাবু , যদি কিছু নাই হয়, তাহলে কথা বলতে চাওয়ার ব্যাপারটা?"

হ্যাঁ, এটা হতে পারে ওর ঘুমানোর অভ্যাসের জন্য।" " কথাটা ঠিক বুঝলাম না।" 

"ঘুমানোর সময় যদি রেসপাইরেটরি প্যাসেজ, বাংলায় শ্বাসনালীর কোথাও বাধাপ্রাপ্ত হয় তখন দম বন্ধ হয়ে আসতে থাকে। তখন ঘুমের ঘোরেই হা করে নিঃশ্বাস নেয়ার চেষ্টা করে। তখন মস্তিষ্কের নিউরণগুলো আরো উত্তেজিত হয়ে উঠে। শরীরের পেশিগুলোর সাইটোকাইনেটিক এক্টিভিটি বেড়ে যায়। তখন শরীরের মাংসপেশী শক্ত ও নরম হতে থাকে। যার ফলে শরীরে ঝাঁকুনির সৃষ্টি হয়। আপনি এসব নিয়ে চিন্তা করবেন না, ঠিক হয়ে যাবে । আপনি চেষ্টা করবেন ও যেন সবসময় আনন্দে থাকে।"

কিছুটা উৎকণ্ঠা আর উদ্বেগ নিয়ে বাড়ি ফিরে এলো। মনে হলো ঘুমের ওষধে কাজ হয়েছে কিছুটা।

তিনদিন পর শরিফকে আবার বন্ধুদের সাথে খেলার মাঠে দেখা গেলো। শরিফের অসুস্থতায় সবাই দেখতে এসেছিল, কেবল একজন ছাড়া। সগীর। অথচ এই ছেলেটিই সবচেয়ে তার কাছের বন্ধু। একসাথে ঘুরাঘুরি থেকে শুরু করে সর্বক্ষণের সাথী ছিল। স্কুলে কখনো ওয়াশরুমে যাওয়ার দরকার হলেও একজন আরেকজনকে ডেকে নিয়ে যেত। লম্বা, ছিপছিপে, শ্যামলা বর্ণের ছেলেটি দেখতে অনেকটা সাদাসিদেই মনে হয়। কিন্তু ভেতরে ভেতরে ছেলেটি অনেক পেঁকে গিয়েছিল। তার হাত ধরেই শরিফ প্রথম সিনেমা হলে গিয়েছে, প্রথম সিগারেটে টান দিয়েছে। শরিফ কে হঠাৎ মাঠে দেখে সগীর এগিয়ে আসলো। " কিরে বেটা শরীর কেমন?" তারা আবার অন্তরঙ্গ হয়ে উঠলো।

নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলে শরিফ এক থেকে চৌদ্দতে নেমে আসলো। বাসায় একটু বকাঝকা শুনতে হয়েছিল বটে, দু দিনেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠলো। দিনের পর দিন সগীরের সাথে ঘনিষ্ঠতা বেড়েই চলল। ধীরে ধীরে তুখোড় ধূমপায়ী হয়ে উঠলো। বাবা মায়ের অবাধ্য হয়ে উঠতে লাগলো। শরিফের ভুত ছেড়েছে বটে, কিন্তু মানসিক ভুত যে জেঁকে বসেছে। তা কে কি করে ছাড়াবে?

ভেতরে ভেতরে সগীর প্রতিশোধ স্পৃহার অনলে পুড়ছিল। সমস্যা তেমন গুরুতর না, পছন্দের রিতুর সামনে গর্ধভ বলেছিল। সেদিন অপমানে মাথা দশফুট মাটির গভীরে ঢুকে গিয়েছিল। বয়সের দোষে সগীরের রক্ত টগবগ করে ফুটতে শুরু করে দিলো। শরিফ ভালো ছাত্র, তাই সবাই গা ঘেঁষে চলতে চাইত। বিশেষ করে মেয়েরা। সগীর ভবঘুরে হলেও ভদ্র ছেলেই ছিল। কিন্তু, প্রিয়জনের কাছে অপমান সহ্য করতে পারলো না। খুনখারাপি করার চেয়ে প্রতিশোধের উত্তম উপায় হচ্ছে ভিকটিমের জীবন রোলারের মতো উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দেয়া। তিল তিল করে পিষে ফেলা। পৈশাচিক আনন্দ পাওয়ার এই একটা মাত্র উপায়।

বন্ধুত্বের ছলাকলায় শরিফ কবে যে বিপথে গিয়ে আসক্ত হয়ে পড়ছে, বুঝতেই পারে নি। পরিবারের সাথে দূরত্ব বাড়তে থাকলো। জীবন মোড় নিতে শুরু করলো একেবারে এক ভিন্ন জগতের দিকে। সগীর সফল হয়েছে, এবার পেছন থেকে কেটে পড়া যায়। খাপছাড়া জীবনের হাল থাকে না, টালমাটাল হয়ে চলতে থাকে যেদিকে খুশি সেদিকে।

পাঁচ বছর শরিফের সাথে যোগাযোগ করেনি সগীর। শরিফ কোন রকমে স্কুল, কলেজ জীবন শেষ করে ভর্তি হয়েছে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এতদিন চুরুটের মধ্যেই জীবন সীমাবদ্ধ ছিল। সিগারেটের ধোঁয়ার কুণ্ডলীর সাথে অন্তরের গহীন চিন্তাগুলো মিশে উবে যেতে লাগলো। পড়ে র‌ইল অঙ্গারের মতো এক বিধ্বংসী অন্ধকার সত্ত্বা। সেই সত্ত্বা একদল কুচক্রী দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এক নারকীয় বিস্ফোরকে রূপ নিলো।

১ জুলাই ২০১৬; রাত ৮:৪৫ মিনিট। তার একটু পর ৯:২০ মিনিট। গুলা গুলির শব্দে ৭৯ নাম্বার রোডের বাসিন্দারা আতঙ্কিত। ৭১ এর বিভীষিকা এই অদেখা মানুষগুলো অনুভব করা শুরু করে দিয়েছে। রহিমাদের জানালার কাঁচ ভেঙে ঢুকে পড়লো একটা গুলি। গুলিটি ভেতরের দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে মাটিতে টং শব্দতুলে গড়িয়ে যেতে লাগলো। রহিমার হৃদপিন্ড রীতিমতো তবলা বাজিয়ে যেতে লাগলো। একমাত্র মেয়েকে জড়িয়ে ধরে নিচু হয়ে বসে র‌ইলো। সে রাতে ১৮ জন বিদেশিসহ ২২ জনের পিঞ্জিরা খালি করে পাখি মুক্ত আকাশ পানে উড়াল দিলো। যারা মুক্তি পেলো না তাঁরা ছটফট করতে লাগলো। খাঁচার মধ্যে ডানা ঝাপটানোর শব্দ মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়লো এক দেশ থেকে অন্য দেশ। জঙ্গি আতঙ্কে কালো অধ্যায়ে নাম উঠলো বাংলাদেশের‌ও। মধ্যে প্রাচ্যে যার উত্থান সেই ধর্মান্ধ, ব্রেইন ওয়াশিং সংস্থাটি গোটা বিশ্বের মাইগ্রেন হয়ে ধরা দিয়েছে। কচি তাজা ফুলগুলো উপড়ে ফেলে দিয়ে, শতশত ফুলের বাগান নষ্ট করছে। ধ্বংস করছে তাজা প্রাণ। গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি আজ‌ও সেই দিনটির কথা মনে করে।

২৭ নভেম্বর ২০১৯, বিশেষ আদালত সাতজনের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে। সেই তালিকায় শরিফের নামটিও আছে। তবে একটু রংচঙ মাখিয়ে লম্বা অক্ষরে লেখা, শরিফুল ইসলাম খালিদ। 


----------------------*****---------------------




ফেরদৌস হাসান মিঠুন

ভেটেরিনারি অনুষদ,

লেভেল-৫ ; সেমিস্টার-১

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।

রচনা: ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ ইং।


লেখকের কথা: শরিফুল ইসলাম খালিদের পেছনের জীবনের সাথে গল্পের প্রথমদিককার কাহিনীর কোন মিল নেই। গল্পকে ছোটগল্পে রূপ দিতে গিয়েই ভিন্নধর্মী কাহিনীর অবতারণা করতে হয়েছে। শরিফ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ছিল। হলি আর্টিজানের ঘটনার আগেও সে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রফেসরকে কুপিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যুুুক্ত ছিল । তরুণ প্রজন্মের প্রতি এই গল্পের মাধ্যমে এটাই বুঝাতে চেয়েছি, " তুমি কার সাথে মিশছো, কার সাথে তোমার সখ্যতা গড়ে উঠেছে, কার দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছো" এসব কিছুই নিজেকে প্রশ্ন করার মাধ্যমে উত্তর খুঁজে নেয়া উচিত। সাময়িক আহ্লাদের জন্য নিজেকে সস্তা করে দিয়ো না। মানুষ হিসেবে জন্মেছি , মানবতার শিকলে আবদ্ধ থাকার যে মনোবৃত্তি তা আমাদের ধারণ করতে হবে। ভালো থাকুক, ভালো কাটুক, প্রতিটি মানুষের প্রতিটা মুহূর্ত। 

Sunday, October 25, 2020

দি_এক্সোর্সিস্ট __ উইলিয়াম পিটার্স ব্লেটি

 #Book_Summary: ( 28 )


#দি_এক্সোর্সিস্ট

উইলিয়াম পিটার্স ব্লেটি



#বঙ্গানুবাদ: হুমায়ূন আহমেদ


ব‌ইটিতে ভৌতিক বিষয়গুলোকে বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের মাধ্যমে প্রকাশ করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিছু বিষয়ের ব্যাখ্যা বিজ্ঞানে নেই। মূল ব‌ইটিতে অশ্লীলতাও রয়েছে বেশ। ছোটদের জন্য ব‌ইটি নয়‌।


#চরিত্র:


১.ক্রিস্টিন ম্যাকলিন (ক্রিস): নাম করা অভিনেত্রী

২. রিগ্যান: ছোট একমাত্র মেয়ে ( ভূতে পায়)

৩. বার্ক: পরিচালক

৪. হাওয়ার্ড: ক্রিসের স্বামী , ( ডিভোর্স )

৫. মি. কিন্ডারম্যান: ডিটেক্টিভ

৬. শ্যারন স্পেন্সার: ক্রিসের সহকারী

৭. কার্ল: চাকর

৮. উইলি: চাকরানী

৯. ডা. ক্লিন:

১০. ফাদার ডায়ার:

১১.ফাদার মেরিন: পাদ্রী

১২.ফাদার ডেমিয়েন কারাস: নাস্তিক, সাইকায়াট্রিস্ট

১৩. মেরিজো: মিড়িয়াম ( প্রেত তত্ত্ব গবেষণা )

১৪. ক্যাপ্টেন হাউড়ি: উইজার্ড

১৫. সাইকায়াট্রিস্ট


#কাহিনী_সংক্ষেপ:


রিগ্যানকে নিয়ে ক্রিসের সুখেই কাটছিল। ডিভোর্সের পর অভিনেত্রী ক্রিস, উন্মাদ বিখ্যাত পরিচালক বার্ককে ভালোবাসে। উইজার্ড বোর্ড দিয়ে রিগ্যান প্রতিরাতেই খেলার ছলে প্ল্যানচেট করে। ক্যাপ্টেন হাউড়ি নামের এক উইজার্ড তাতে সাড়া দেয়। ক্রিস যখন মেয়ের রুমে যায়, রুম থাকে বরফের ন্যায় ঠান্ডা। ধীরে ধীরে রিগ্যানের অস্বাভাবিক আচরণ বাড়তে থাকে। মেয়ের এমন অবস্থায় মা চিন্তিত। ডা. ক্লিন পরীক্ষা করতে থাকে। ব্রেইনের ফাংশন‌ও ঠিক, শরীরের ফিজিওলজিক্যাল কোন পরিবর্তন নেই। অথচ, আচরণ অস্বাভাবিক। মেয়ের শান্ত, ভাবলেশহীন ভাব কাটাতে পার্টির আয়োজন করে। অনেক অতিথি আসে, আসে মেরিজো নিজেও। রিগ্যানকে দেখেই ভয়ানক আশঙ্কাটা বুঝতে পারে। ক্রিসের জন্য একটা শয়তান উপাসনার উপর একটা লেখা বই পাঠিয়ে সতর্ক করে দিতে চায়। ক্রিস ব‌ইটি পড়ে না। মেয়ের অবস্থা আর‌ও খারাপ, অন্য ছেলের কন্ঠে কথা বলতে শুরু করেছে। মেয়েটি বার্ককে খুন করে। গুয়েন্দা কিন্ডারম্যান তদন্ত করছে। পোস্ট মর্টেম করে জানা গেছে অস্বাভাবিক শক্তিশালী কেউ তাকে খুন করছে।

ডা. ক্লিন ব্যর্থ হয়ে আরেক ডা. দেখে, সেও ব্যর্থ। শেষে যায়, সাইকায়াট্রিস্টের কাছে, অনেক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেন লক্ষণগুলোর, কিন্তু কারণ উদঘাটন করতে সেও ব্যর্থ হন। বিছানা ঝাঁকুনির কারণ, সাইটোকাইনেটিক ফোর্সে শরীরের পেশি শক্ত হয়ে যায়। মৃগী রোগীও ধারণা করা হয়। হলি ট্রিনিটিতে শয়তান উপাসনা করে গোপনে কেউ। ফাদার ডেমিয়েন কারাস একজন সাইকায়াট্রিস্টও বটে। নাস্তিকতার অভিযোগে তাকে চার্চ থেকে বের করে দেয়া হয়। অবশেষে, সে আসে, পরীক্ষা করে কিছু অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করে। হিস্টেরিয়া হয়েছে বলে ব্যাখ্যা দিলেও কিছু বিষয়ে খটকা থেকেই গেলো। ডেমিয়েন ভূত তাড়ানোর জজ্ঞ করার অনুমতি চায় চার্চের কাছে। অনুমতি মঞ্জুর হলো, কিন্তু, অভিজ্ঞ একষ ফাদারকে লাগবে, নাম ফাদার মেরিন, বৃদ্ধ। রিগ্যানের সাথে দেখা করেই বুঝতে পারলো, ভূতটার সাথে তার এর আগেও দেখা হয়েছিল। আবারও হবে সে জানত। আজ সেই দিন। জজ্ঞ করার জন্য যাবতীয় জিনিস আনতে গেলো ডেমিয়েন। রিগ্যানের মধ্যে ভূতটা মেরিনকে চিনে, তর্জন গর্জন করতে থাকে। যজ্ঞে ফাদার মেরিন, ডেমিয়েন দুজন‌ই মারা যায়। শেষে ভূত চলে যায়। হাওয়ার্ড নিজেই আসে স্ত্রী কন্যাকে নিতে।


@Mithun

Ferdous Hasan Mithun

How Will You Isolate and Characterise Salmonella spp. from Beef?

Isolation and Molecular Characterization of Salmonella spp. from Beef. Author:  Ferdous Hasan Mithun* Introduction: Innumberable foodborne z...